• সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনার কোন বাজারে যদি কেউ চাঁদাবাজি করতে আসে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখবেন : ড.খন্দকার মারুফ হোসেন শরণখোলায় ভুয়া এমবিবিএস ডিগ্রী ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা, দুদকের অভিযান সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ মেঘনায় আজহারুল হক শাহিনের নেতৃত্বে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি মেঘনায় বাজার মনিটরিংএ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপি মেঘনায় শহিদ দিবসে বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি মেঘনায় টানা সহিংসতায় আইনশৃঙ্খলা অবনতির শঙ্কা তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস: আনুষ্ঠানিকতা ও আবেগে ভরা প্রধানমন্ত্রীর দিন একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে তিন বাহিনীর প্রধানদের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

ফেনীর দাঘনভূইঞাঁ ও সোনাগাজীতে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে মেরিনা।

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২০৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

১৭ জুলাই ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃফেনীর দাঘনভূইঞাঁর মাতুভূইঞাঁ ইউনিয়নের উত্তর আলীপুর গ্রামে গত ১৩ মার্চ সবুজের বাড়ীতে ডাকাতি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিল ৪ ডাকাত সদস্য।ওই সময় ওই বাড়ীতে ডাকাতি করানোর পরিকল্পনাকারী ও ডাকাতদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিলেন,ডাকাতির শিকার বাড়ীর মালিক সবুজের চাচাতো বোন মেরিনা আক্তার।এই ডাকাতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দাগনভূইঞাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সমি উদ্দিন সম্প্রতি ডাকাত দলের সর্দার ইকবালকে গ্রেপ্তার পরবর্তী ডাকাতি ঘটনায় জড়িত থাকা অন্য আসামীদের সনাক্ত করণের লক্ষে থানায় তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালীন,ডাকাতির ঘটনায় পরিকল্পনাকারী ও তাদের সহযোগীতাকারী হিসেবে সে মেরিনা আক্তারের বিষয় পুলিশকে জানায়।ডাকাত সর্দার ইকবালের স্বীকারোক্তির সূত্র ধরে পুলিশ মেরিনাকে ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার করেন।

১৬ জুলাই মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডাকাত সর্দার ইকবাল ও মেরিনাকে আদালতে সোপর্দ করেন।মঙ্গলবার উভয় আসামী আদালতে স্বীকারোক্ত মূলক জবানবন্দিতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।এই সময় মেরিনা আক্তার এই ঘটনা ছাড়া ও ডাকাত সর্দার ইকবালসহ তার বাহিনীকে দিয়ে,সোনাগাজী উপজেলার চর হুজুরি গ্রামে নিজ স্বামীর ঘর ডাকাতি করিয়েছেন বলে স্বীকার করেছে এবং কি ওই ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের সহযোগী হিসেবে স্বামীর ঘরের দরজা খুলে দিয়েছে বলে ও স্বীকার করে মেরিনা।বিয়ের পর থেকে মেরিনার সাথে তার স্বামী বেলালের বনিবনা হচ্ছিলনা বলে,সে ডাকাত সর্দার ইকবালের সাথে পরিকল্পনা করে ডাকাতিকালীন ডাকাতদের সহযোগীতা করণের শর্তে ডাকাত সর্দার ইকবালসহ তার বাহিনী দিয়ে নিজ স্বামীর ঘরে ডাকাতির ওই ঘটনাটি ঘটিয়েছিল।জানাযায় দাগনভূঞাঁয় চাচাতো ভাই সবুজদের সাথে মেরিনাদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনদরে চলতে থাকা বিরোধের জেরধরে অনেকটা হিংসাত্নক মানুষিকতা নিয়ে,প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে মেরিনা সবুজের ঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনাকারী ও ডাকাতদের সহযোগী হিসেবে সম্পূর্ণভাবে জড়িত ছিল এবং কি জড়িত থাকার কথা সে আদালতে ও স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য মোবাই ফোনে রংনামম্বার থেকে আসা একটি মিস কলের সূত্রদরে মেরিনার সাথে ডাকাত সর্দার ইকবালের সম্পর্কের সৃষ্টি।একপর্যায় উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা,ততপরবর্তী মেরিনাদের বাড়ীতে ডাকাত সর্দার ইকবালের অবাদ যাতায়াত।সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা গভীরতায় পৌঁছার পর থেকে একসময় মেরিনা ও ডাকাত দলের সহযোগী সদস্য হিসেবে পা বাড়ায় অপরাধ জগৎতে।দাগনভূইঞাঁ উপজেলাধীন মাতুভূইঞাঁ ইউনিয়নস্থ উত্তর আলীপুর গ্রামের,মোঃফরিদের মেয়ে এই মেরিনা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন