• বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
জবাই করা ১৩টি ঘোড়ারগোস্ত ফেলে পালিয়েছে একটি চক্র আইন পাস, তবুও সক্রিয় আ.লীগ নেতাকর্মী: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন নকলমুক্ত এসএসসি পরীক্ষা নিশ্চিতে কঠোর পদক্ষেপ:খন্দকার মারুফ মেঘনার সড়কে অপরিকল্পিত স্পীড ব্রেকারে ঘটছে দূর্ঘটনা খুঁজতে হবে সমাধান বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড.মোশাররফ হোমনা -বাঞ্ছারামপুর সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড়, ফুটপাত দখল- নিরাপত্তা শঙ্কায় বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হলেন কামাল উদ্দিন সবুজ মেঘনায় এলপিজি বাজারে অস্বচ্ছতা রোধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরি মেঘনার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ভেঙে দুইটি করা এখনই জরুরি কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন

থানায় আসামিকে রাতভর ধর্ষণ করল ওসিসহ ৫ জন!

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩৩০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯

৫ আগস্ট ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

ডেস্ক রিপোর্ট ● খুলনার জিআরপি থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক নারী (২১) ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। আদালতের নির্দেশে রোববার রাতে তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলেও সময় স্বল্পতার কারণে তা হয়নি।

সোমবার সকালে তাকে আবারো হাসপাতালে নেয়া হবে জানা গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ওসি ওসমান গনি গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মোটা অংকের টাকা প্রদান করার প্রস্তাব দিচ্ছে।

ভুক্তভোগীর ওই নারীর দুলাভাই জানান, গত ২ আগস্ট তার স্ত্রীর ছোট বোন (২১) যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। এ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহমূলকভাবে ধরে নিয়ে যায়।

পরে গভীর রাতে জিআরপি পুলিশের ওসি ওসমান গনি পাঠান তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরো ৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা (সদস্য) পালাক্রমে ধর্ষণে মেতে ওঠে। পরদিন শনিবার ওই নারীকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আদালতে বিচারকের সামনে নেয়ার পর ওই নারী জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষণের চিত্র তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। এদিকে ওসি ওসমান গনি এ ঘটনা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন