• সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নকলমুক্ত শিক্ষা ও মানবসম্পদ গঠন বিএনপির অঙ্গীকার :ড.খন্দকার মারুফ হোসেন হোমনায় ১০ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ কলমের কালি থেকে বুলেট: বিবেকের রক্তক্ষরণ শব্দহীন কান্নায় জর্জরিত মেঘনার জেলেপল্লীর জীবনসংগ্রাম ফেসবুকে অপপ্রচার: সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভুইয়ার জিডি জবাই করা ১৩টি ঘোড়ারগোস্ত ফেলে পালিয়েছে একটি চক্র আইন পাস, তবুও সক্রিয় আ.লীগ নেতাকর্মী: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন নকলমুক্ত এসএসসি পরীক্ষা নিশ্চিতে কঠোর পদক্ষেপ:খন্দকার মারুফ মেঘনার সড়কে অপরিকল্পিত স্পীড ব্রেকারে ঘটছে দূর্ঘটনা খুঁজতে হবে সমাধান বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড.মোশাররফ

জনবহুল ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় নেই মহিলা হাজতখানা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৫২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯

২১ আগস্ট ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃফেনীর পূর্বে ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলাটির নাম ছাগলনাইয়া উপজেলা।পাঁছটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে এই উপজেলাটির অবস্থান।ছাগলনাইয়া উপজেলায় বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ জনগণের বসবাস।উপজেলাটির সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষে ব্রিটিশ সরকারামলে শুধুমাত্র একটি ঘর নির্মানের মাধ্যমে এই থানাটির যাত্রা শুরু হয়।সময়ের প্রয়োজনে ও কালের বিবর্তনে থানাটির কর্যক্রম পরিচালনা করণে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা বৃদ্ধিকরণসহ এদের বাসস্থান ও কার্য সম্পাদনের প্রয়োজনে,থানা বাউন্ডারীর বিতর নতুন নতুন ভবন নির্মান করাসহ কার্যালয় ভবনটির প্রস্তুতকরণ করা হয়েছে।কার্যালয়ের ভেতর আসামী রাখার জন্য একটি মাত্র হাজত খানা রয়েছে,এই হাজত খানায় রাখা হয় পুরুষ আসামীদের।ছাগলনাইয়া থানা এলাকাটি সময়ের ব্যবধানে যেমন জনবহুল হয়ে উঠেছে, তেমনি জনবহুল এই এলাকাটিতে বর্তমানে পুরুষ অপরাধীর পাশাপাশি মহিলা অপরাধীর সংখ্য ও অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।এরিমধ্যে ছাগলনাইয়া থানা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী অনেক মহিলা আসামীকে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হতে দেখা গেছে।থানায় মহিলা আসামীদের রাখার জন্য আলাদা কোন হাজত খানা না থাকায়, ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ এই পর্যন্ত যতগুলি মহিলা আসামীদেরকে গ্রেপ্তারকরে থানায় এনেছে তাদেরকে আদালতে সোপর্দপূর্ব সময়টুকু থানা হেফাজতে রাখাতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যায় পড়তে দেখাগেছে।ছাগলনাইয়া থানায় মহিলা আসামী রাখার আলাদা কোন হাজত খানা না থাকায়,গ্রেপ্তার করে আনা এইসব মহিলা আসামীদেরকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওসির কার্যালয় কক্ষে রাখতে হচ্ছে,যার কারণে প্রায় প্রতিনিয়ত নিজের অফিসিয়াল গুরুত্বপূর্ণ কার্য সম্পাদন করতে বা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার কাজ নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সম্পুর্ণ করণে ব্যার্থ হচ্ছে।তাছাড়া জেলা পর্যায়ের থানা গুলিতে প্রয়োজনের তুলনায় নামমাত্র দেওয়া দুই অথবা তিনজন মহিলা পুলিশ সদস্যের মধ্যথেকে একজন মহিলা পুলিশ সদস্য কে,এইসব মহিলা আসামীদের পাহারায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রাখতে হয় থানা প্রশাসনকে।যারফলে মহিলা পুলিশ সদস্যদ্বারা থানার অফিসিয়াল যেসব কাজগুলো করানো হয় পিছিয়ে পড়ছে সেসব কাজ।মোটকথা হচ্ছে জনবহুল ছাগলনাইয়া থানায় মহিলা আসামী রাখার জন্য কালবিলম্ব না করে,অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে একটি মহিলা হাজত খানা নির্মান করা অনেকটা বাদ্যতামূলক হয়ে পড়েছে বল্লে মনেহয় ভুল হবেনা।কারণ বর্তমানে এই থানায় যেভাবে মহিলা আসামী রাখা হচ্ছে,বলাযায় তা অনেকটা অনিরাপদ ও অরক্ষিত।উন্নয়ন ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার দেশব্যাপী যে অবদান রেখেযাচ্ছে তা অস্বীকার করা যাবেন।জেলা পর্যায়ে দেশের যেসব থানা গুলি রয়েছে, জানিনা এইসব থানা গুলির মধ্যে    শতকরা ২০ ভাগ থানায় মহিলা হাজত খানা আছে কিনা।সরকারের যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট আবেদন তারা যেন অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে দৃৃৃষ্টিপাত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন