• রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক দাউদকান্দিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় আসছেন জামায়াতের আমীর মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি আগামীকাল মেঘনায় দুটি ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন ড. মারুফ নারীরা শান্তিপ্রিয়, উচ্ছৃঙ্খলতা পছন্দ করে না বলেই জামায়াতকে বেছে নেয়: তাহের

এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ব্যাংক হিসাব তলব

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৪৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

২৩ অক্টোবর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বরাবর চিঠি পাঠায় এনবিআর।

চিঠিতে বলা হয়, নজরুল ইসলাম বাবু, তার স্ত্রী ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ২০১২ সালের ১ জুলাই থেকে আমানত, সেভিংস, চলতি হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, লকার, সঞ্চয়পত্রসহ সব ধরনের তথ্য দিতে। এছাড়া চিঠি পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে এসব তথ্য ছক আকারে এনবিআরের কাছে জমা দিতে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শত শত কোটি টাকা আয়ের অভিযোগ রয়েছে।

নজরুল ইসলাম বাবুর প্রতিষ্ঠানগুলো হল- সূচনা ড্রাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেড, স্টার ট্রেডিং কোম্পানি, বাবু এন্টারপ্রাইজ এবং সূচনা ড্রাইং প্রিন্টিং ওয়েভিং ইন্ডাট্রিজ।

এদিকে, এনবিআরের চিঠিতে নজরুল ইসলাম বাবুর বাবা ও মায়ের নামসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। তিনটি পৃথক ঠিকানা দেয়া হয়েছে। এগুলো হল- ৮/১২, গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, ৮৮ শান্তিনগরের ২/৬০৪ ইস্টার্ন পিয়ার এবং নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজারের বাজবি গ্রাম।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী তথ্য জমা দিতে ব্যর্থ ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেছে এনবিআর।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ১২৪ (২) ধারা অনুযায়ী এককালীন ২৫ হাজার এবং পরবর্তী প্রতিদিনের জন্য ৫০০ টাকা করে জরিমানা আরোপ করা হবে। একইভাবে ১৬৪ (সিসি) ধারা অনুযায়ী, অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড আরোপের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণের কথাও বলেছে এনবিআর।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন