• রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক দাউদকান্দিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় আসছেন জামায়াতের আমীর মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি আগামীকাল মেঘনায় দুটি ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন ড. মারুফ নারীরা শান্তিপ্রিয়, উচ্ছৃঙ্খলতা পছন্দ করে না বলেই জামায়াতকে বেছে নেয়: তাহের

কৃষকদের ক্ষতি করে শিল্পায়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৩৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

৬ নভেম্বর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা কৃষিকে গুরুত্ব দিয়েছি। যখন সরকারে আসি তখন দেখি গবেষণায় একটা টাকাও নাই। গবেষণা ছাড়া কি উন্নয়ন হয়? এমনকি বীজ সরবরাহ করা হত বেসরকারি খাত থেকে। জাতির পিতা যে বিএডিসি চালু করেছিল সেখান থেকে বীজ দেওয়া বন্ধ করা হয়।

তিনি বলেন, কৃষকদের ক্ষতি করে শিল্পায়ন করবে না সরকার।উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করার সময় কৃষকদের বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেয়া হয়।

বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষক লীগের জাতীয় কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সারের দাম কমিয়েছে। কৃষকদের ১০ টাকায় একাউন্ট খোলার সুযোগ সরকার করে দিয়েছে। ১১ বছরে দেয়া হয়েছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা ভুতুর্কি। তিনি বলেন, বিএনপির কাছে সার চেয়ে গুলি খেয়েছিল কৃষকরা।

তিনি বলেন, কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। বিশ্বব্যাংক কৃষকদের ভুর্তুকি দিতে নিষেধ করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার তা স্বত্বেও ভুর্তুকি বহাল রেখেছে। তিনি বলেন, অবশ্যই উন্নয়ন হবে। তবে কৃষককে বাদ রেখে নয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষিকাজে, খাদ্যে আরও সমৃদ্ধ করতে কৃষকলীগকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সময় লাভ লোকসান দেখলে চলে না। জনগণের কিসে উপকার হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতা আসার পর কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন কাজ করেছে। আমরা বর্গা চাষিদের স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করি। যে কোনো সরকারের চেয়ে কৃষককে আমরা গুরুত্ব দেই।উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এমনভাবে নেওয়া হয় যেন কৃষকরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

সারের জন্য কৃষককে আর মৃত্যুবরণ করতে হয় না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উচ্চদামে সার কিনে স্বল্পদামে কৃষকদের কাছে পোঁছে দিচ্ছি। আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। অথচ বিএনপির আমলে সারের জন্য ১৮ জন কৃষককে প্রাণ দিতে হয়েছিল।

এর আগে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত সম্মেলন মঞ্চে এসে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। কৃষক লীগের সম্মেলনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন