• রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক দাউদকান্দিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় আসছেন জামায়াতের আমীর মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি আগামীকাল মেঘনায় দুটি ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন ড. মারুফ নারীরা শান্তিপ্রিয়, উচ্ছৃঙ্খলতা পছন্দ করে না বলেই জামায়াতকে বেছে নেয়: তাহের

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৩৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯

১০ নভেম্বর ২০১৯,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,ডেস্ক রিপোর্ট :

শনিবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আছড়ে পড়ার পর রোববার নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ তথ্য জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার (১০ নভেম্বর) নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

হাছান মাহমুদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাত থেকেই মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকারের প্রস্তুতির কারণেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুল কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সরকার ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত নয় বলে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মন্তব্যের নিন্দাও জানান তথ্যমন্ত্রী।

বলেন, আয়নায় আগে নিজেদের মুখ দেখুন। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল তাতে পাঁচ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এরপর তারা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সরকারের প্রস্তুতির কারণে যত লোক মারা যাওয়ার কথা ছিল তত মারা যায়নি।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর বাংলাদেশ সফরে আসেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, নওয়াজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের দিনে খালেদা জিয়া সাতটি শাড়ি পরিবর্তন করেছিলেন।

নূর হোসেন সম্পর্কে হাছান মাহমুদ বলেন, নূর হোসেনসহ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের রক্ত বৃথা যায়নি। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেইসঙ্গে ভাত ও ভোটের অধিকার পেয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উদযাপন কমিটির তছলিম আহম্মেদ। এসময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন