• শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

আজ সেই ভয়াল ১২ নভেম্বর

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

১১ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভোলা সাইক্লোনে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় উপকূল। দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার। মধ্যরাতে ৩-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা যায়। ভয়াল সে দিনটির আজ ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। প্রতি বছর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারীরা এখনো দিনটিতে আঁতকে উঠেন।

এদিকে দিনটিকে উপকূল দিবস দাবির লক্ষ্যে ‘উপকূল বন্ধু’ নামে পরিচিত সাংবাদিক রফিকূল ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৭ সাল থেকে উপকূলের অর্ধশতাধিক স্থানে উপকূল দিবস পালন করা হচ্ছে। তবে এটি সরকারিভাবে পালন করার দাবি জানাচ্ছেন ভোলা সাইক্লোনের প্রত্যক্ষদর্শীরা। লক্ষ্মীপুরের কমলনগর প্রেস ক্লাব ও সদর উপজেলায় উপকূল দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

স্বজন হারাদের তথ্যমতে, ৭০ সালে উপকূলীয় চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত রেডিও ছিল না। তবে ঘটনার দিন রেডিওতে উপকূলে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু কেউ তা জানতে পারেনি। যে কয়েকজনের কাছে রেডিও ছিল তারা শুনতে পেরেও বিশ্বাস করেনি। আবার ওইদিন সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় হালকা বাতাস। গভীর রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়েছিল তখনই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। ঝড় আর পাড়াহসম স্রোতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় উপকূল।

সূত্র জানায়, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে ভোলা জেলায় ২৪০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে এসেছিল ভোলা সাইক্লোন। সেদিন লক্ষ্মীপুরের মেঘনা ও ভুলুয়া নদী উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি ১৮৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে। প্রায় ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে হাজার হাজার মানুষ ও গবাধি পশু। সেদিনের জলোচ্ছ্বাসে মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা যায়।

সরকার হিসেব অনুযায়ী, সাইক্লোনটিতে ৫ লাখ মানুষ মারা যায়। তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে ওইদিন প্রায় ১০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছে।

জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে ভোলা সাইক্লোনটি সবচেয়ে বড় প্রলয়ংকারী ঘটনা। ওইদিন লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা উপকূলীয় চরআবদুল্লাহ, কমলনগরের ভুলুয়ানদী উপকূলীয় চরকাদিরাসহ নোয়াখালীর হাতিয়া, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এটি হানা দেয়। দিনের আলোয় চারদিকে শুধু লাশ আর লাশ দেখা যায়। লাশের গন্ধে মানুষ কাছে যেতে পারেনি। ৩-১০ ফুটের জলোচ্ছ্বাসের কারণে মাটি দেয়া যায়নি মৃত মানুষগুলোকে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন