• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ঢাকার নবাবগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল পত্নীতলায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের ৫ ইউনিয়ন কমিটিকে শোকজ উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে স্থানীয় যুবককে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক ভোলায় ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক নোবিপ্রবিতে পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১০ম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা যশোরে পুকুরে ডুবে তিন স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু জয়পুরহাট সরকারি কলেজে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা শ্রীপুরে কথিত মোবাইল সাংবাদিকতার নামে হয়রানি বন্ধ হোক তারেক জিয়া পরিষদের ভোলা জেলা শাখার ২২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা এপিএসসির উপদেষ্টা মনোনীত শামীমা পারভিন

জাহাজে ভাসানচরের পথে রোহিঙ্গারা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৭৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

৪ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে যাত্রা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তাদের বহনকৃত প্রথম জাহাজটি চট্টগ্রাম ছেড়ে যায়। এর আগে সকাল ৯টা থেকে রোহিঙ্গাদের জাহাজে তোলার কার্যক্রম শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত ৩৪টি ক্যাম্প থেকে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। কক্সবাজার ক্যাম্প থেকে ২০টি বাসে করে ৯২০ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে শুরু হয় যাত্রা। সন্ধ্যায় তারা পৌঁছে চট্টগ্রামের ট্রানজিট পয়েন্টে।

পরে রোহিঙ্গাদের রাখা হয় বাংলাদেশ নৌ বাহিনী রেডি রেসপন্স বাথ ও বিএএফ শাহীন কলেজ মাঠে অস্থায়ী ‘ট্রান্সজিট ক্যাম্পে’। শুক্রবার সকালে ‘ট্রান্সজিট ক্যাম্প’ থেকে তিনটি ঘাট দিয়ে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে যাত্রা শুরু হয়। আটটি জাহাজে মোট ১ হাজার ৬৪২ জনকে ভাসানচরে পাঠানো হচ্ছে।

ভাসানচরের প্রকল্পটি শুরু হয় ২০১৮ সালে। দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেড় হাজার একতলা ভবন তৈরি করা হয়েছে। আরো আছে ১২০টি বহুতল ভবন, যা সাইক্লোন আশ্রয় কেন্দ্র ও অন্যান্য সময় অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

ভাসানচরে স্কুল, সেখানে স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, হাসপাতাল করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আছে সোলার পাওয়ার। জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রান্নার জন্য সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থাও থাকবে।

সেখানে রোহিঙ্গাদের আয়বর্ধকমূলক নানা প্রকল্পও নেয়া হয়েছে। খামারের কাজ, হাতের কাজ ছাড়াও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকবে। ফলে আয় করতে পারবে রোহিঙ্গারা।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগে থেকে ছিল আরো প্রায় চার লাখ। বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে ৩৪টি ক্যাম্পে।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি হলেও মিয়ানমারের অনাগ্রহের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। দুইবার প্রত্যাবাসনের খুব কাছাকাছি গিয়েও একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো যায়নি মিয়ানমারের কারণে।

কক্সবাজার ক্যাম্পে ঘিঞ্জি পরিবেশ, ভূমিধসের আশঙ্কা, নিরাপত্তাহীনতাসহ নানা কারণে সেখানে ভিড় কমাতে উদ্যোগ নেয় সরকার। যদিও বেশ কিছু এনজিও ও বিদেশি সংস্থার কারণে রোহিঙ্গাদেরকে স্থানান্তরে রাজি করানো যাচ্ছিলো না। তবে সেপ্টেম্বরের শুরুতে একজন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের সুযোগ-সুবিধা দেখিয়ে আনার পর একটি অংশ সেখানে যেতে রাজি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন