• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরখাস্ত মেঘনায় যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল :”একটা একটা লীগ ধর -ধইরা ধইরা জেলে ভর ” শ্লোগানে মুখরিত মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল মেঘনায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ মেঘনায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান, মাঠে থাকার নির্দেশনা বিএনপির মেঘনায় কালভার্ট আছে, সড়কে সংযোগ নেই দেলোয়ার হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ

‘হিন্দু-খ্রিস্টান নারীদের যৌনদাসী হিসেবে চীনে পাঠাচ্ছে পাকিস্তান’

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

১০ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চলছে। এমনকি তাদেরকে যৌনদাসী বা রক্ষিতা বানিয়ে পাঠানো হচ্ছে চীনে।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিশেষ রিপোর্টে ইউএস অ্যাম্বাসাডর অ্যাট লার্জ ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম, স্যামুয়েল ডি ব্রাউনব্যাক এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই রিপোর্টে তিনি জানান, চীনের বিশেষ নাগরিকদের রক্ষিতা বানিয়ে পাঠানো হচ্ছে পাকিস্তানের হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীদের। জোর করে যৌনদাসী হতে বাধ্য করা হচ্ছে তাদের।

স্যামুয়েল তার পর্যবেক্ষণের বলেন, এই ধরণের ঘটনার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, কারণ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের কোনো নিরাপত্তা নেই। খুব সহজেই তাদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে বা প্রাণের ভয় দেখিয়ে যে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব। পাক প্রশাসনের সম্পূর্ণ মদতেই এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে।

রিপোর্টে স্যামুয়েল আরো জানান, আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের আওতায় পাকিস্তান অত্যন্ত দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত। পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতা বেশ উদ্বেগজনক।

২০১৯ সালে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়ে ছিলো ৬২৯ জন পাক নারীকে চীনে পাচার করা হয়েছে যৌনদাসী হিসেবে। তাদের তালিকাও তুলে ধরেছিলো ওই রিপোর্টে। মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে এই ধরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন