• রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় সাবরেজিস্ট্রি অফিসে স্থায়ী ভবন জরুরি এখন স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সংগঠনের দ্বৈত দায়িত্ব দলের সংকট ভার্চুয়াল প্রেসারগ্রুপের আক্রমণ সত্য সংবাদের বড় বাধা মেঘনায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় থানায় মামলা না নিতে তদবির করতে যান স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেঘনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করার পথ সমতল নয় মেঘনায় টপ সয়েল লুট উন্নয়নের নামে কৃষির ভবিষ্যৎ হুমকিতে মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘনার লুটের চর – উপজেলা সদর সড়ক ৩০ ভাগ কাজ বাকি, অর্থ ও সময়ের  নতুন চাহিদা

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ৪৯ মরদেহের একটিও শনাক্ত করা যায়নি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১

০৯ জুলাই ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাশেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৯ মরদেহের একটিও শনাক্ত করা যায়নি বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা।

শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছে। আমাদের প্রথম কাজটি হবে মরদেহগুলোর যথাযথ প্রক্রিয়ায় ডিএনএ টেস্ট করে শনাক্ত করা। সবগুলো মরদেহ আগুনে পুড়ে ঝলছে গেছে। প্রয়োজনে তাদের মরদেহ ফ্রিজিং করা হবে। আত্মীদের সঙ্গে ডিএনএ সিম্পল মিলিয়ে পরবর্তীতে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরো বলেন, গতকাল আহত অবস্থায় একজনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দ্রুত মরদেহ শনাক্তের চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকের মাধ্যমে মরদেহগুলো শনাক্ত করা হবে।

পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা এখনও হয়নি, প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় কারখানার ছয় তলা ভবনটিতে তখন প্রায় চারশ’র বেশি কর্মী কাজ করছিলেন। কারখানায় প্লাস্টিক, কাগজসহ মোড়কিকরণের প্রচুর সরঞ্জাম থাকায় আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সব ফ্লোরে।

প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ থাকায় কয়েকটি ফ্লোরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরে কারখানার ভেতর থেকে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, আগুনে পুড়ে তিন জনের মৃত্যু হয়। সবমিলে এ পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। কারখানায় আগুনের ঘটনায় প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন