• সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

হোমনায় ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্র নারীর গহনা-মোবাইল ছিনিয়ে নিলেন

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৪৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

৩০ জুন ২০২২ ইং বিন্দুবাংলা টিভি. কম, নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার হোমনায় অফিসে যাওয়ার পথে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্রের খপ্পরে পড়ে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন খোয়ালেন এক চাকুরিজীবী নারী।গতকাল  বুধবার বেলা বারোটা থেকে একটার মধ্যে উপজেলার কফিল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যলয় থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত কোনো এক স্থানে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন রাহিমা আক্তার।পুলিশের ধারনা, ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামের স্কোপোলামিন ড্রাগ প্রয়োগ করে রাহিমা আক্তারকে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে তার স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়েছে।রাহিমা আক্তার উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের মো. আহসান কবীরের স্ত্রী। তিনি চাকুরি করেন উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে। অফিসের যাওয়র পর তাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন, আনমনা, অন্যমনষ্ক ও অস্বাভাবিক ভাব দেখে কলিগরা তার বাসায় খবর দেন। স্বাজনরা গিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে দুপুরে থানয় গিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশের এসআই ইকবাল মনির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছেন।রাহিমা আক্তার বলেন, বুধবার অফিসের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর কফিল উদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মার্কেটের কাছে এলে ওই চক্রের ১০-১২ বছরের এক শিশু সদস্য তার পথরোধ করে দাঁড়ায়। এ সময় কান্না কান্না কণ্ঠে তার মাকে ফোন দেওয়ার কথা বলে তার (রাহিমার) কাছে মোবাইল ফোনটি চায়। প্রথমে তিনি দিতে শিকার না   করলেও পরে চোখের পানি দেখে মায়ায় পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলটি এগিয়ে দিলে সেও একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ ও একটি চানাচুরের প্যাকেট তাকে ধরিয়ে দেয়। রাহিমা ব্যাগ ও চানাচুরের প্যাকেটটি হাতে নিলে শিশুটি মোবাইল ফোন কানে ধরে সামনে চলতে থাকে। রাহিমাও তার পিছু পিছু হাঁটতে থাকেন। এরইমধ্যে তাদের সঙ্গে যোগ হয় আরও দুই যুবক। একসময় স্কুল মার্কেট থেকে চৌরাস্তার পর্যন্ত কাছাকাছি কোনো এক স্থানে গিয়ে একজন সঙ্গে টাকা পয়সা আছে কিনা জানতে চায়। টাকা নেই বললে এক যুবক তাকে গলার চেইন ও কানের দুল খুলতে বলেন। রাহিমাও সঙ্গে সঙ্গে বিনাবাক্যে এক ভরি চার আনা ওজনের লকেটসহ গলার চেইন ও তিন আনা ওজনের কানের দুল জোড়া খুলে ওই চক্রের হাতে তুলে দেন।এ ব্যাপারে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। মালামাল উদ্ধার এবং ওই চক্রটিকে ধরতে ইতোমধ্যে পুলিশ মাঠে নেমেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন