• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

চিলমারীতে হস্তান্তরের আগেই ব্রহ্মপুত্রের পেটে যাচ্ছে আবাসন প্রকল্পের ঘর

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১২৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

 

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ১০০ পরিবারের আশ্রয়ণের জন্য নির্মিত দীঘলকান্তি আবাসন প্রকল্পটি এখন ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। এরই মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে একটি ব্যারাকের ৫টি কক্ষ ভেঙে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত আবাসন প্রকল্পটি হস্তান্তর করা হয়নি। তবে ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার সেখানে বসবাস করছেন।

 

 

এ বিষয়ে অস্থায়ী বাসিন্দারা স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেও কোনো সুরাহা পাননি। তবে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

 

 

জানা গেছে, ২০২২ সালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর চর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দীঘল কান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্প খোদ্দবাশবাতার এলাকার ২০টি ব্যারাকে মোট ১০০ পরিবারের জন্য সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১ শতটি ঘর নির্মাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় মাঠ ভরাটের কাজ করেন। প্রকল্পটি হস্তান্তর হতে না হতেই শুক্রবার রাতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে আবাসনের একটি ব্যারাকের ৫টি কক্ষ ভেঙে যায়। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে পুরো আবাসন প্রকল্পটি বিলীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

 

অষ্টমীর চর ইউনিয়নের খোদ্দবাঁশবাতার এলাকার আনিছুর রহমান, আমিনুল ইসলামসহ অনেকে বলেন, নদীভাঙন যদি না রোধ করা হয়, তাহলে যেকোনো মুহূর্তে ঘরগুলো ভেঙে যাবে। তাই ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তাঁরা।

 

অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সেলিম রেজা বলেন, ২টি রুম নদীতে ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল গুলো সরিয়ে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।

 

অষ্টমীরচর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হালিম বলেন যেকোনো সময় আবাসনটি নদীতে ভেঙে যেতে পারে ৷ আমি খোঁজ নিয়েছি আবাসনে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইউএনও স্যারসহ পিআইও স্যারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নঈম উদ্দীন জানান, ভাঙনের বিষয়টি আমি জেনেছি সেখানের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। আপাতত তাদের জিও ব্যাগ বরাদ্দ নেই। যদি জিও ব্যাগ বরাদ্দ পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন