• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

৭ অলাখো পর্যটক ও পুণ্যার্থীর সমাগমের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বিসর্জন শেষ হয়েছে। আজ রোববার ঢাক ঢোল-বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, রং ছিটিয়ে ও আতশবাজি ফাটিয়ে ট্রাকে করে একে একে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

এ উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন শহর ও সৈকত এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকার মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে সৈকতমুখী হন পুণ্যার্থীরা।

প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সমুদ্রসৈকতের লাবণি পয়েন্টে তৈরি করা বিজয়া মঞ্চ। জেলা প্রশাসনের উন্মুক্ত মঞ্চে জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দুপুরের পর মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয়া দশমীর আলোচনা সভা হয়।

এতে বক্তব্য দেন–কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন। ছবি: আজকের পত্রিকা
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন। ছবি: আজকের পত্রিকা
এরপর সন্ধ্যায় দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন। এর মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে দুর্গোৎসবের।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শর্মা দীপ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলার ৯ উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা এবং আলীকদম উপজেলা থেকেও প্রতিমা এনে সৈকতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার জেলার নয়টি উপজেলায় ৩২১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপন হয়েছে। এর মধ্যে ১৫১টি প্রতিমা ও ১৭০টি ঘট পূজাক্টোবর ২০২৩, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন