• সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
দুর্নীতিতে তথ্য গোপন নয়, জবাবদিহি জরুরি মেঘনায় সাবরেজিস্ট্রি অফিসে স্থায়ী ভবন জরুরি এখন স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সংগঠনের দ্বৈত দায়িত্ব দলের সংকট ভার্চুয়াল প্রেসারগ্রুপের আক্রমণ সত্য সংবাদের বড় বাধা মেঘনায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় থানায় মামলা না নিতে তদবির করতে যান স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেঘনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করার পথ সমতল নয় মেঘনায় টপ সয়েল লুট উন্নয়নের নামে কৃষির ভবিষ্যৎ হুমকিতে মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান রংপুরে আটক

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৫৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার আবদুল মান্নানকে রংপুর থেকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার ( ৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় । এ সময় পুলিশের একজন ডিআইজি ও অপর তিনজন পুলিশ সুপারকেও আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানায়, রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান ও আবুল হাসনাতকে আটক করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান কুমিল্লা ও সিলেটে পুলিশ সুপার থাকাকালীন নির্বাচন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শক্তি প্রয়োগ করেন। এর আগে সিটি টিসিতে পুলিশ সুপার থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে জঙ্গি নাটক সাজানোরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

শুক্রবার রাতে নীলফামারীর ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আটক করে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। শনিবার দুপুরের পর তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়।

একই দিন রাজশাহী সারদা একাডেমিতে সংযুক্ত থাকা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। রাজশাহী জেলা পুলিশ একাডেমির সহায়তায় তাকে আটক করে ঢাকার গোয়েন্দা কার্যালয়ে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আটক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম গাজীপুর মেট্রোপলিটনের সাবেক কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

অন্যদিকে ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। নির্বাচন ও পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শক্তি প্রয়োগ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ব্যাপক সমালোচিত ছিলেন।

জানা যায়, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর তাদের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত রাখা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন