• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
উখিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে মরিচ্যা বাজারে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি: টার্গেটে চোরাচালান নেটওয়ার্ক ও অবৈধ সম্পদ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসার সক্রিয় গান কমান্ডার মুছা গ্রেপ্তার যশোরে ব্যাংক হ্যাকিংয়ের অভিযোগ, চীনা নাগরিকসহ আটক ২ মেঘনায় গোডাউন ভেঙে সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ত্রিশালে চুরি করতে গিয়ে ময়লার স্তূপে পড়ে আটক যুবক ভাঙ্গায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীসহ নিহত ২ ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬ ইত্তেফাকুল উলামা ত্রিশালের আংশিক কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান রংপুরে আটক

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২১৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার আবদুল মান্নানকে রংপুর থেকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার ( ৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় । এ সময় পুলিশের একজন ডিআইজি ও অপর তিনজন পুলিশ সুপারকেও আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানায়, রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান ও আবুল হাসনাতকে আটক করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান কুমিল্লা ও সিলেটে পুলিশ সুপার থাকাকালীন নির্বাচন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শক্তি প্রয়োগ করেন। এর আগে সিটি টিসিতে পুলিশ সুপার থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে জঙ্গি নাটক সাজানোরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

শুক্রবার রাতে নীলফামারীর ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আটক করে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। শনিবার দুপুরের পর তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়।

একই দিন রাজশাহী সারদা একাডেমিতে সংযুক্ত থাকা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। রাজশাহী জেলা পুলিশ একাডেমির সহায়তায় তাকে আটক করে ঢাকার গোয়েন্দা কার্যালয়ে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আটক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম গাজীপুর মেট্রোপলিটনের সাবেক কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

অন্যদিকে ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। নির্বাচন ও পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শক্তি প্রয়োগ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ব্যাপক সমালোচিত ছিলেন।

জানা যায়, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর তাদের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত রাখা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন