• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

মেঘনায় মাদকে সয়লাব ও অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি : আতঙ্কে কাটছে এক শান্ত জনপদ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, মেঘনা (কুমিল্লা):

মেঘনা উপজেলা যেন দিন দিন রূপ নিচ্ছে এক অশান্ত জনপদে। মাদকের অবাধ বিস্তার আর অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি সাধারণ মানুষের জীবনকে করে তুলেছে আতঙ্কিত। আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় ভুগছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না, কারণ রয়েছে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেঘনার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে এখন মাদকের ব্যবসা, সেবন এবং চক্রবদ্ধ অপরাধের আখড়া গড়ে উঠেছে।

 

 

গাঁজা, ইয়াবা,ফেনসিডিল এমনকি আইস নামক ভয়াবহ মাদকও ছড়িয়ে পড়েছে তরুণদের মাঝে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও জড়িয়ে পড়ছে এই নেশার জালে।অন্যদিকে, অবৈধ অস্ত্রের হুমকিও ভয়ানক রূপ নিয়েছে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে মেঘনার কয়েকটি এলাকায় রাজনৈতিক বলয়ের ছত্রচ্ছায়ায় সন্ত্রাসীদের হাতে অবৈধ অস্ত্র চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাতে গোলাগুলির শব্দ, অচেনা লোকের চলাচল ও ক্ষমতার দাপটে এলাকাবাসীর নিরাপত্তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ।একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রশাসনের পদক্ষেপও অনেক সময় থমকে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের নিরব ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ বলছেন, ‘অভিযোগ জানালেই চিহ্নিত হয়ে যাই, এরপর আমাদেরই বাড়িতে হানা দেয় সেই চক্র।’মেঘনা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। তবে অনেক সময় প্রভাবশালীদের কারণে গভীরতর তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়।”এদিকে, সচেতন নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কিছু অংশ বলছেন, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। মাদক ও অস্ত্র দুটোই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।মেঘনা উপজেলার মানুষ এখন এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অবিলম্বে প্রশাসনের সুস্পষ্ট অভিযান, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সামাজিক সচেতনতাই পারে এই জনপদকে আবারও শান্ত ও নিরাপদ করে তুলতে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন