• সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নকলমুক্ত শিক্ষা ও মানবসম্পদ গঠন বিএনপির অঙ্গীকার :ড.খন্দকার মারুফ হোসেন হোমনায় ১০ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ কলমের কালি থেকে বুলেট: বিবেকের রক্তক্ষরণ শব্দহীন কান্নায় জর্জরিত মেঘনার জেলেপল্লীর জীবনসংগ্রাম ফেসবুকে অপপ্রচার: সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভুইয়ার জিডি জবাই করা ১৩টি ঘোড়ারগোস্ত ফেলে পালিয়েছে একটি চক্র আইন পাস, তবুও সক্রিয় আ.লীগ নেতাকর্মী: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন নকলমুক্ত এসএসসি পরীক্ষা নিশ্চিতে কঠোর পদক্ষেপ:খন্দকার মারুফ মেঘনার সড়কে অপরিকল্পিত স্পীড ব্রেকারে ঘটছে দূর্ঘটনা খুঁজতে হবে সমাধান বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড.মোশাররফ

মেঘনার জমিদার বাড়ি প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ সময়ের দাবি

বিপ্লব সিকদার / ২৯৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গোবিন্দপুর গ্রামের প্রায় ৯৮ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি—‘গোবিন্দপুর পোড়া বাড়ি’—আজও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘পোড়া বাড়ি’ নামে বেশি পরিচিত হলেও ঐতিহাসিকভাবে এটি ‘প্যারী মোহন সাহা বাড়ি’ বা গোবিন্দপুর জমিদার বাড়ি হিসেবেই পরিচিত।


ইতিহাসের সাক্ষ্য বহনকারী স্থাপনা
জানা যায়, বাড়িটি নির্মিত হয় ১ চৈত্র, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে। সে সময় সাহা জমিদার পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। দৃষ্টিনন্দন নকশা, পুরু ইটের দেয়াল, খিলান দরজা ও প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এ বাড়িটিকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। সময়ের বিবর্তনে ভবনটির অনেকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনো তা অতীত ঐতিহ্যের জানান দেয়।


অবস্থান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলা-এর গোবিন্দপুর ইউনিয়নে, গোবিন্দপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। একসময় জমিদার পরিবারের আবাসস্থল হলেও বর্তমানে  অবহেলা ও অযত্নে ধীরে ধীরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন জমিদার বাড়ির ভবনগুলো , যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রত্নমূল্যসম্পন্ন ধীরে ধীরে  ধ্বংসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি
গ্রামবাসীর মতে, এটি শুধু একটি পুরোনো বাড়ি নয়—এটি তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। অনেকেই চান, প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে বাড়িটির সংস্কার ও সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক। কেউ কেউ এটিকে সরকারি তালিকাভুক্ত প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণারও দাবি তুলেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এটি পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থানে রূপ নিতে পারে।


সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন
ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, সংস্কৃতি বিষয়ক কর্তৃপক্ষ এবং প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ সংস্কার ও সংরক্ষণ করা গেলে এটি কুমিল্লা অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক নিদর্শনে পরিণত হতে পারে।
সময়ের দাবি
ঐতিহ্য হারিয়ে গেলে তা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। তাই গোবিন্দপুর পোড়া বাড়ি সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি—ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য সম্পদ রক্ষার অঙ্গীকার।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন