• বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
হ্যাটট্রিক ভাইস চেয়ারম্যান দিলারা শিরিনকে সংরক্ষিত নারী আসনে দেখতে চায় তৃণমূল মেঘনার জমিদার বাড়ি প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ সময়ের দাবি মেঘনায় মাদক নির্মূলে কঠোর বার্তা, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির কুমিল্লায় রমজান ও ঈদকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা জোরদারে মতবিনিময় সভা ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকের এমএফএস অ্যাকাউন্টে প্রতারণা, সিআইডির জালে স্বামী-স্ত্রী মেঘনায় মানিকার চর বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান সোনারগাঁওয়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ১ বান্দরবানে জেএসএস (মূল) সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর সফল অভিযান মেঘনার কোন বাজারে যদি কেউ চাঁদাবাজি করতে আসে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখবেন : ড.খন্দকার মারুফ হোসেন

মেঘনার জমিদার বাড়ি প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ সময়ের দাবি

বিপ্লব সিকদার / ৯৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গোবিন্দপুর গ্রামের প্রায় ৯৮ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি—‘গোবিন্দপুর পোড়া বাড়ি’—আজও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘পোড়া বাড়ি’ নামে বেশি পরিচিত হলেও ঐতিহাসিকভাবে এটি ‘প্যারী মোহন সাহা বাড়ি’ বা গোবিন্দপুর জমিদার বাড়ি হিসেবেই পরিচিত।


ইতিহাসের সাক্ষ্য বহনকারী স্থাপনা
জানা যায়, বাড়িটি নির্মিত হয় ১ চৈত্র, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে। সে সময় সাহা জমিদার পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। দৃষ্টিনন্দন নকশা, পুরু ইটের দেয়াল, খিলান দরজা ও প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এ বাড়িটিকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। সময়ের বিবর্তনে ভবনটির অনেকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনো তা অতীত ঐতিহ্যের জানান দেয়।


অবস্থান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলা-এর গোবিন্দপুর ইউনিয়নে, গোবিন্দপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। একসময় জমিদার পরিবারের আবাসস্থল হলেও বর্তমানে  অবহেলা ও অযত্নে ধীরে ধীরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন জমিদার বাড়ির ভবনগুলো , যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রত্নমূল্যসম্পন্ন ধীরে ধীরে  ধ্বংসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি
গ্রামবাসীর মতে, এটি শুধু একটি পুরোনো বাড়ি নয়—এটি তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। অনেকেই চান, প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে বাড়িটির সংস্কার ও সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক। কেউ কেউ এটিকে সরকারি তালিকাভুক্ত প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণারও দাবি তুলেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এটি পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থানে রূপ নিতে পারে।


সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন
ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, সংস্কৃতি বিষয়ক কর্তৃপক্ষ এবং প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ সংস্কার ও সংরক্ষণ করা গেলে এটি কুমিল্লা অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক নিদর্শনে পরিণত হতে পারে।
সময়ের দাবি
ঐতিহ্য হারিয়ে গেলে তা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। তাই গোবিন্দপুর পোড়া বাড়ি সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি—ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য সম্পদ রক্ষার অঙ্গীকার।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন