• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শিক্ষকদের কল্যাণে বড় ধরনের অর্থ সহায়তার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষকদের অশ্রু মোছার উদ্যোগ হিসেবে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অবসর সুবিধা বোর্ড ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এই দিনে হাজারো কোটি টাকা ব্যয়ে নানা আয়োজন করা হতো। আর আজকের এই দিনে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের কল্যাণে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, সারাদেশে ৭০ হাজার ১৯ জন শিক্ষককে অবসর সুবিধার অর্থ এবং ৫৩ হাজার শিক্ষককে কল্যাণ ভাতা দেওয়া হচ্ছে। কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। বাকি অর্থ নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কথা লিখছেন।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত সরকার এই খাত থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৫৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা রাখা হয়েছে, যেগুলোর বড় একটি অংশ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সরকারি ব্যাংকে থাকা কিছু অর্থ ফেরত পাওয়ার আশা রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের দেওয়া ৬ শতাংশ ও ৪ শতাংশ অনুদান এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বন্ডের অর্থসহ বর্তমানে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকার বন্ড সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদ থেকে অর্জিত আয় দিয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর ভাতার আওতায় থাকা প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার সুবিধাভোগীর পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে বাকি পাওনাও পরিশোধ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া উপলব্ধি করেছিলেন যে, সারাজীবন জাতি গঠনে অবদান রাখা শিক্ষকদের অবসরের পর যথাযথ সম্মান ও আর্থিক নিরাপত্তা প্রয়োজন। এ কারণেই তিনি কল্যাণ ট্রাস্টে প্রথমে ১৪ কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে ৮৯ কোটি টাকা দিয়ে এই কার্যক্রমের সূচনা করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বেসরকারি শিক্ষকদের শতকরা ৫০ ভাগ বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন এবং শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষকদের সম্মাননা ও কল্যাণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন