দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হতে যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট সংগ্রহ থেকে শুরু করে ভোট প্রদান এবং ব্যালট বাক্সে জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।
ভোট দিতে সংসদ সদস্যদের সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে।
ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে। এরপর ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়া শেষে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।
কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে সেটি ব্যালট বাক্সে দেওয়ার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
ভোটগ্রহণের সময় সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না। ভোট দেওয়ার সময় কোনো তাৎক্ষণিক সমস্যা দেখা দিলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।
ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে সংসদ সদস্যদের পূর্ণ নাম লিখতে হবে।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হবে। এ সময় কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে, তার হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের পাওয়া বৈধ ভোট গণনা করা হবে।
সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।