স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার গ্রামাঞ্চলের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবা প্রদান ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও ডিজিটাইজেশন করার উদ্যোগ নিয়েছেন সরকার। গ্রামাঞ্চলে ১৫১ শয্যার এসব হাসপাতালে নারীদের জন্য ২০টি বিশেষ শয্যা, শিশুদের জন্য ২০টি বিশেষ শয্যা ও কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস করার জন্য আরও ১০টি বিশেষ শয্যা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী নিয়োগ করা হবে। গ্রামের মানুষদের হাজার হাজার টাকা খরচ করে যাতে করে শহরে দৌড়াতে না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিগগিরই গ্রামের মানুষ ঘরে বসে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ৯টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান, চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সফর আলী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা প্রদানের মান ভালো। হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসকদের উপস্থিতি সন্তোষজনক। দর্শনার্থী ও রোগীরা নিয়মিত সরকারি ওষুধ পাচ্ছেন।
তবে দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে অনুপস্থিত একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালগুলো ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। আর প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রধান ইশতেহার অনুযায়ী চরভদ্রাসন হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্যাথলজি, নারী ও শিশুদের জন্য পৃথক শয্যা সুবিধাসহ ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।