• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক ৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক মেঘনায় গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ বাকেরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা উখিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জয়পুরহাটে ১১ দলের গণমিছিল ও সমাবেশ ৫ আগস্ট উপলক্ষে কাইচাইল ইউনিয়ন বিএনপির বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা, স্মরণ ও অঙ্গীকারে নোবিপ্রবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে ত্রিশালে আহত যোদ্ধা ও নিহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা মেঘনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্টের দায়ে আরো এক ডাক্তারের কারাদন্ড

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৪৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০

ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ (স্টাফ রিপোর্টার) : সাখাওয়াত হোসেন সুমন নামে এই ভুয়া ডাক্তারকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাখাওয়াত হোসেন সুমন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে কারাদণ্ড এবং তার হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ রাজধানীর ডেমরা এলাকার সারলিয়ায় অবস্থিত ওই হাসপাতালে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালায়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি টক শোতে অংশগ্রহণ, চিকিৎসায় অবদানের জন্য ক্রেস্ট, ছবি থাকলেও চিকিৎসক হওয়ার সনদ বা কোনো প্রমাণ ছিল না। রোগীকে পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দিতেন তিনি। অভিযানের বিষয়ে র‍্যাব জানায়, ওই হাসপাতালে কর্মরত ১২ চিকিৎসকের বেতন না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা অভিযোগ করেন। সাখাওয়াত হোসেন সুমনকে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদেরও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি আলোচিত সাহেদ করিমের রিজেন্ট হাসপাতালেও অভিযান চালিয়ে তার সব শাখা সিলগালা করে র‍্যাব। সাহেদ করিমও ভুয়া পরিচয় দিতেন এবং টক শোতে অংশ নিতেন।

গণমাধ্যমকে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু জানান, এসএইচএস হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড ডিজিটাল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হয়েছে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে এটি পরিচালনা করতেন এর মালিক সাখাওয়াত হোসেন সুমন। তিনি রোগী দেখা অবস্থায় আমরা সেখানে অভিযান চালাই। অভিযানে তিনি আমাদের চিকিৎসা সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রমাণই দেখাতে পারেননি। তবে তার চেম্বারে সিল, প্যাড, ভিজিটিং কার্ড এসব পাওয়া গেছে। চিকিৎসায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্রেস্ট, টেলিভিশন টক শোতে অংশগ্রহণের সনদও রয়েছে তার।

তিনি আরো জানান, সুমন নিজেকে চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিতেন। রোগীদের বিভিন্ন নমুনার পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দিতেন। এক বছর আগে তার হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ অক্সিজেন সিলিন্ডার, কার্বন ডাই অক্সাইডের সিলিন্ডারকে অক্সিজেন সিলিন্ডারে রূপান্তরসহ নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে।

র‍্যাবের এ ম্যাজিস্ট্রেট আরো জানান, তার হাসপাতালে ১২ জন চিকিৎসক আছেন জানালেও আসল চিকিৎসক মাত্র একজন। তাদের বেতনও ঠিক মতো দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তারা র‍্যাবে অভিযোগ দেন। এ ছাড়া তার ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদন নেই এমন ওষুধ বিক্রি হচ্ছিল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর কর্মকর্তা ডা. দেওয়ান মো. মেহেদি হাসান ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন