ঢাকা   ০৩:২৮:১২ পিএম, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মহাখালী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী নিরাপদ পানি নিশ্চিতে বড় পরিকল্পনা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে গবেষণা জরুরি: খাদ্যমন্ত্রী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৫০০ ফুট পাখি শিকারের ফাঁদ জব্দ ‎বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী পানি সহযোগিতা কমিটি: ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চায় ঢাকা

‘আল-কায়েদার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতাকে আশ্রয় দিয়েছিল ইরান’

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, November 14, 2020,
  • 226 Time View

১৪ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আল-কায়েদার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতাকে আশ্রয় দিয়েছিল ইরান। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস শুক্রবার জানিয়েছে, আবু মোহাম্মদ আল মাসরি নামে পরিচিত ছিলেন আবদুল্লাহ আহমেদ আবদুল্লাহ। তাকে গত ৭ অগাস্ট তেহরানের রাস্তায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ইসরায়েলি গুপ্তচর গুলি করে হত্যা করে।

আল-কায়েদা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরির পর মাসরির অবস্থান ছিল সংগঠনে। ১৯৯৮ সালে আফ্রিকার কেনিয়া ও তানজানিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি দূতাবাসে বোমা হামলার অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলা হয় মাসরিকে।

গুপ্তচরদের হামলায় মাসরির সঙ্গে সেদিন নিহত হয় তার মেয়েও। মাসরির এই মেয়ে ছিলেন আল কায়েদার সাবেক শীর্ষ নেতা ওসামা বিন লাদেনের নিহত ছেলে হামজার স্ত্রী। মাসরি ও তার মেয়ের নিহতের খবর পুরোপুরি চেপে গিয়েছিল ইরান। এ ব্যাপারে ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলও মুখ খোলেনি। এমনকি খোদ আল-কায়েদা মাসরির নিহতের খবর গোপন করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী  কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য মাসরিকে আশ্রয় দিয়েছিল ইরান।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ২০০৩ সাল থেকে ইরানের ‘হেফাজতে’ ছিলেন মাসরি। তবে তেহরানের উপকণ্ঠে ২০১৫ সাল থেকেই তিনি মুক্তভাবে বসবাস করতেন।

ইরান অবশ্য শনিবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের মাটিতে আল-কায়েদার কোনো ‘সন্ত্রাসী’ ছিল না।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইদ খাতিবজাদাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কখনো কখনো সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য ফাঁস করে এ ধরনের গোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানকে সম্পর্কযুক্ত করার চেষ্টা করে, যাতে তারা এই গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক অন্যান্য গোষ্ঠীর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় তারা এড়াতে পারে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি