• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারতের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সমতার ভিত্তিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অতীতকে পেছনে ফেলে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ফ্রেশ স্টার্ট’ প্রয়োজন। তবে এ ক্ষেত্রে ভারতকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং বিদ্যমান নানা ইস্যু নিয়ে ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন দিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। দুই দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য বা ইস্যু রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি বলেন, সমতার ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ভারতকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ চিহ্নিত সব পলাতক অপরাধীকে বিদ্যমান বন্দি বিনিময় ও প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। তাদের বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ ছাড়া শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদেরও এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী যথাশীঘ্র সম্ভব ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বিষয়গুলো ভারতীয় পক্ষ আইনগতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু ভৌগোলিক সীমানা ভাগাভাগি করে না, তারা সমৃদ্ধির স্বপ্নও ভাগাভাগি করে।গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে বিভিন্ন ইস্যুতে চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইস্যু থাকাটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে সব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে দুই দেশের জনগণের মূল প্রত্যাশা একটি সুদৃঢ় ও চমৎকার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা। এমন সম্পর্ক উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর বা ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, আলোচনা ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান করা যাবে না—বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এমন কোনো জটিল ইস্যু নেই। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সাক্ষাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন