সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। শনিবার রাত ২টার মধ্যে ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়িয়ে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার আশা করা হচ্ছে।
সামিটের মুখপাত্র জানান, পর্যায়ক্রমে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো হবে। পূর্ণ সক্ষমতায় সরবরাহ শুরু হলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসহ অন্যান্য গ্রাহকের জন্য গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়বে। এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসার পাশাপাশি জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, সামিট শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তাদের ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ধীরে ধীরে গ্যাসের চাপ বাড়বে এবং মধ্যরাতের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় সরবরাহে পৌঁছাবে।’
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরও বলেন, একই সঙ্গে এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ থেকেও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের গ্যাসের চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সামগ্রিক সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।