• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া দাউদকান্দিতে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার ভাটেরচর–লুটেরচর সড়ক পরিদর্শনে যাচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানালেন খন্দকার মারুফ পদায়ন নিয়ে ক্ষুব্ধ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘আমার কাজ আর প্রয়োজন নেই চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৩০ মহানবীর আদর্শে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির হাসপাতালে রোগী ফেলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার সময় জনতার হাতে আটক চিকিৎসক সিজেএফডি সদস্য ও পরিবারের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প জয়পুরহাটে চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলালের কর্মী সমাবেশ

শারজাহতে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পড়ে ৭ বছর বয়সী ভারতীয় শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

মো. ছাব্বির হাসান:

দুবাইয়ের শারজাহতে তিনতলা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পড়ে সাত বছর বয়সী এক ভারতীয় প্রবাসী শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটির চাচা মনসুর আলী জানান, মর্মান্তিক এ ঘটনার সময় সাফা মুবারক শারজাহর আল নাব্বা এলাকার বাসায় একাই ছিল।

আজমানের একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী সাফা ছিল দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের বাসিন্দা তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।

ঘটনাটি কীভাবে ঘটল

মনসুরের ভাষ্যমতে, সাফা বাসায় ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় তার বাবা ও মনসুরের ভাই মুবারক আলী গাড়ির কাছে যাওয়ার জন্য নিচে নামেন। তার মা মুর্শিদা মুবারক, যিনি শারজাহর একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে কাজ করেন, তিনি আগেই কর্মস্থলে চলে গিয়েছিলেন।

মনসুর বলেন, ‘মনে হচ্ছে, ঘুম থেকে উঠে সে জানালার স্লাইডিং দরজা খুলেছিল। এরপর দুর্ঘটনাবশত নিচে পড়ে যায়।’

তিনি আরও জানান, দুবাইয়ের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত মুবারক মর্মান্তিক ঘটনার সময় নিচতলাতেই ছিলেন।

পরিবারটি সম্প্রতি ছুটি কাটিয়ে কেরালার নিজ শহর থেকে ফিরেছিল। সাফা আগামী সপ্তাহে স্কুল খোলার অপেক্ষায় ছিল।

কথিত দুর্ঘটনার পর বাবা-মায়ের শোকের কথা জানিয়ে চাচা বলেন, ‘তারা বিধ্বস্ত।’

আইনি প্রক্রিয়া চলছে

চাচা জানান, পরিবারটি সাফার মরদেহ সংযুক্ত আরব আমিরাতে দাফন করতে চায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে।

সাফার বাবা-মায়ের সঙ্গে গাড়িতে থাকা অবস্থায় মুবারক বলেন, ‘কিছু কাগজপত্রের কাজ সেরে আমরা এইমাত্র বাড়ি ফিরছি।’

শারজাহ পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ ও শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই অভিভাবকদের বহুতল অ্যাপার্টমেন্টে, বিশেষ করে ছোট শিশু থাকলে, জানালায় তালা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন