• সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক দাউদকান্দিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় আসছেন জামায়াতের আমীর মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি আগামীকাল মেঘনায় দুটি ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন ড. মারুফ নারীরা শান্তিপ্রিয়, উচ্ছৃঙ্খলতা পছন্দ করে না বলেই জামায়াতকে বেছে নেয়: তাহের

ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাগলনাইয়া থানা প্রশাসনের সক্রিয়তায় মুগ্ধ এলাকাবাসী।ভাই

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৫২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯

২৪ জুন ২০১৯,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃফেনী জেলায় স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোন ছাত্রীকে যদি কেউ ইভটিজিং করার উদ্দেশ্যে বিব্রত বা উত্তপ্ত করে,সে কথা যদি আমার কানে আসে আমি তার জীবন উত্তপ্ত করে দিবো।২২ জুন ফেনীতে কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে বলা,ফেনী জেলায় সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী বিপিএম,পিপিএম এর মুখে এমন কথা শুনার পর থেকেই ইভটিজিং প্রতিরোধে ২৩ জুন ছাগলনাইয়া থানা প্রশাসনকে পূর্বের চেয়ে অধীক সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখাগেছে।এইদিন ছাগলনাইয়া উপজেলাধীন বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্রীদের তাদের স্বস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসাকালীন এবং ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ার পর ছাত্রীদের বাড়ী ফেরা কালীন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির আশেপাশে ও ছাত্রীদের যাওয়া আসার পথে তাদের ও ইভটিজারদের নজরের বাহিরে থেকে সিভিল পোশাকে,ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের একাধীক টিমকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখাগেছে।ইভটিজিং প্রতিরোধে ডিউটিরত অবস্থায় ২৩ জুন ছাগলনাইয়া-বক্সমাহমুদ সড়কে ছাগলনাইয়া ফায়ারসার্ভিসের সামান্য পশ্চিমে,ছাগলনাইয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর দুই ছাত্রী মাদ্রাসা ছুটির পর ওই সড়ক দিয়ে পায়েহেঁটে বাড়ী যাওয়ার পথে মহামায়া ইউনিয়নের দুই বখাটে ছাত্রী দুটি’র পিছু নিয়ে,এক পর্যায়ে ওই দুই ছাত্রীর একদম কাছাকাছি গিয়ে,তাদেরকে কিছু একটা জিজ্ঞেস করছে দেখে,ইভটিজিং প্রতিরোধে ডিউটিতে থাকা ছাগলনাইয়া থানার এএসআই আবদুল মতিন,এএসআই আলী হোসেন ও এএসআই নুরু আল আহাসান ছাত্রী দু’টি কে এদের ছিনে কিনা জিজ্ঞেস করলে,তারা ছিনেনা বল্লে ওই দুই বখাটেকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।পরে ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ মেজবাহ্ উদ্দিন আহম্মদ দুই বখাটেকে ছাত্রী দু’টির পিছু নেওয়ার বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ কালীন তারা জানায়,ওই দুই ছাত্রী তাদের দূরসম্পর্কের আত্নীয় হয়।বিষয়টি যাচাই করার লক্ষে ওসি উভয় পক্ষের অভিবাবকদের থানায় আসতে খবর পাঠান।উভয় পক্ষের অভিবাবক থানায় আসার পর তারা যে,একে অপরের দূরসম্পর্কের আত্নীয় তা প্রমাণ হয়।এক পর্যায় ওসি উভয় পক্ষের অভিবাবকদের অনুরোধে ওই দুই বখাটের কাছথেকে,তারা জীবনে আর কখনো রাস্তায় পরিচিত হউক আর অপরিচিত হউক কোন মেয়ের পিছু নিবেনা মর্মে মুজলেখা প্রদানকরে প্রথম বারের মত ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পান।বর্তমানে ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাগলনাইয়া থানা যেভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে,তা আগামীতে ও অব্যাহত রাখবে এমনটা কামনা করে এই থানা এলাকার জনগণ।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন