• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

লাঞ্ছিতদের কাছে ক্ষমা চেয়ে এলেন ইউএনও, বাড়ি করে দেয়ার আশ্বাস

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০

২৮ মার্চ ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি অনলাইন ডেস্ক :

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় মাস্ক ব্যবহার না করায় দুই বৃদ্ধকে কান ধরিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি ধারণ করেন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান। এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোনার মুখ ‘বেআইনি ও অকর্মকর্তাসুলভ আচরণেরথ অভিযোগ এনে এই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবার সেই বৃদ্ধদের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসলেন ওই উপজেলারই নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান উল্লাহ শরিফী। এসময় তিনি ওই বৃদ্ধদের বাড়ি করে দেয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন।

আজ শনিবার বেলা ১২টার মণিরামপুর  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে সঙ্গে  নিয়ে ওই বৃদ্ধদের বাড়িতে যান ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী। এসময় তিনি বৃদ্ধদের হাতে খাদ্যদ্রব্যের ব্যাগও তুলে দেন। এসময় স্থানীয় শ্যামকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিও তার সঙ্গে ছিলেন।

পরে চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমে জানান, শুক্রবার বিকেলে মাস্ক না পরে চিনাটোলা বাজারে যাওয়ায় অত্র ইউনিয়নের দক্ষিণ লাউড়ি গ্রামের তরকারি বিক্রেতা আসমতুল্লাহ (৭২) ও একই গ্রামের ভ্যানচালক দিনমজুর বাবর আলীকে (৬০) কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখেন এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসান। এসময় মোবাইল ফোনে তাদের ছবিও ধারণ করেন এই সরকারি কর্মকর্তা। এরপরে দক্ষিণ শ্যামকুড় গ্রামের ভ্যানচালক নূর আলীকেও (৬২) কান ধরিয়ে লাঞ্ছিত করেন তিনি। 

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। নেটিজেনরা বলছেন, এভাবে একজন কর্মকর্তা বয়স্ক মানুষদের অপদস্ত করতে পারেন না। বিষয়টি গড়িয়েছে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত। এরই মধ্যে ওই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছি। তাদের হাত ধরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়েছি। আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতাসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন