• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পদ ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, কয়েক জেলায় পাইলট প্রকল্পের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হলে শিল্প খাতে লোডশেডিং কমবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত কলেরা প্রতিরোধে দেশের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ১৪ এলাকায় টিকাদান শুরু তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এখন পূর্ণ মন্ত্রী দুইজন আগামীকাল বঙ্গভবনে উঠবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল কুমিল্লায় একদিনে ৩৯ মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৬৫ রিজভীর সঙ্গে ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নাগরনো-কারাবাখে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠিয়েছে রাশিয়া

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৪৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০

১০ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে গত ছয় সপ্তাহ ধরে চলমান যুদ্ধ বন্ধে বিতর্কিত নাগরনো -কারাবাখ অঞ্চলে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠিয়েছে রাশিয়া। আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোকে এই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে রয়টার্স।

চুক্তির আলোকে যুদ্ধের মাধ্যমে আজারবাইজান নাগরনো-কারাবাখের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর শুশাসহ যেসব এলাকা দখলে রেখেছে সেগুলো তাদের দখলেই থাকবে। আর আর্মেনীয় বংশোদ্ভূত নাগরনো-কারাবাখের বাহিনী যেসব স্থানে হামলা চালিয়েছে সেসব স্থান থেকে তাদেরকে পহেলা ডিসেম্বরের মধ্যে সরে যেতে হবে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত করা হয়েছে এবং পরাজিত এলাকায় শান্ত রয়েছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, সংঘাত হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, অনেক মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে, চুক্তিটির মাধ্যমে একটি দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথ করে দেওয়া উচিত।

আজারবাইজানের সমর্থক তুরস্ক বলেছে, চুক্তির মাধ্যমে তার মিত্রের অনেক বড় অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। বিতর্কিত এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। তবে অঞ্চলটিতে আর্মেনিয়ার বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এটি দখল করে রেখেছে আর্মেনিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন