• সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক দাউদকান্দিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় আসছেন জামায়াতের আমীর মেঘনায় গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির প্রচারণায় মাঠে নামেনি

ভাবির দুর্ব্যবহারে ক্ষুব্ধ হয়ে চারজনকে হত্যা করে রাহানুর

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

২৪ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ভাইয়ের সাথে থাকতেন রাহানুর। কিন্তু টাকার জন্য ভাইয়ের স্ত্রী প্রায়ই দুর্ব্যবহার করতেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ভাই-ভাবি ও তাদের দুই সন্তানকে হত্যা করেন তিনি। অভিযুক্ত রাহানুরকে গ্রেপ্তার করে রোববার (২২ নভেম্বর) আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানায় সিআইডি।

সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক বলেন, অভিযুক্ত রাহানুর নিয়মিত ফেনসিডিল সেবন করতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফেনসিডিলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধও খেতেন। ফেনসিডিলসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেলেও যেতে হয়েছিল তাকে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়।

ঘটনার দিন (১৫ অক্টোবর) দু’টি কোমল পানীয় কিনে তার মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভাই,ভাবি ও তাদের দুই সন্তানকে খাওয়ান রাহানুর। ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত পানীয়ের প্রভাবে তারা ঘুমিয়ে পড়লে রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চাপাতি দিয়ে প্রথমে ভাই এবং পরে একে একে ভাবি ও তাদের দুই সন্তানকে হত্যা করেন তিনি।

সিআইডি কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর রাহানুর হত্যার আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা চালান। তবে তার সে অপচেষ্টা বিফল হয় এবং সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে এ মামলার সমস্ত রহস্য উদঘাটন করে।

সিআইডি রাহানুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি এবং রক্তমাখা কাপড়।

উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাহানুরের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন তার ভাই শাহিনুর রহমান, শাহিনুরের স্ত্রী সাবিনা খাতুন, মেয়ে তাছনিম ও ছেলে সিয়াম। এ ঘটনায় সাবিনার মা বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটির তদন্তভার নেয় সিআইডি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন