• সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের বৈঠক স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত ইউএনও ফেরদৌস আরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বোনের বাড়িতে ভাইয়ের ডাকাতি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বাসভবনের কয়েক শ গজ দূরে এক প্রবাসীর বাড়িতে দিনদুপুরে ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রবাসীরই চাচাতো শ্যালক। ডাকাতির সময় ব্যাটারি দিয়ে সহায়তা করা এক শিশুর দেওয়া জবানবন্দির সূত্র ধরে পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে।

পরে পুলিশ ঘটনার মূল হোতা প্রবাসীর শ্যালক দিদারকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালত দিদারের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে দিদারের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

গত ৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টা থেকে পৌনে চারটা পর্যন্ত পৌর এলাকার কাউতলীর নিয়াজ মুহম্মদ স্টেডিয়ামের পাশ ঘেঁষে সৌদিপ্রবাসী মো. রফিকুল ইসলামের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ২২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৫০ হাজার টাকা, চার লাখ টাকা মূল্যের একটি হাতঘড়ি নিয়ে যায়। দিনদুপুরে জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনায় আতঙ্ক দেখা দেয়।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া খানম জানান, ছয়তলাবিশিষ্ট ওই বাড়িটির তিনতলায় তাঁরা বসবাস করেন। দুপুর আড়াইটার দিকে ফাইল নিয়ে দুজন এসে দরজায় নক করেন। গৃহকর্মী দরজা খুলে দিলে ওই দুজন বলেন, তারা গ্যাসের লাইন চেক করতে এসেছেন। একপর্যায়ে আরো ছয়জন ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে একটি কক্ষে নিয়ে জিম্মি করে ফেলেন। ঘরে প্রবেশ করা আটজনের হাতেই ধারালো অস্ত্র ছিল।

তিনি বলেন, ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তারা ছেলে-মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়ে সব কিছু দিয়ে দিতে বলেন। স্বর্ণের লকার খুলতে পারছিলেন না বলে বারবার হত্যার হুমকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা ফোন করে লকারের জন্য ব্যাটারি আনান। তাদের ফোনে ছোট একটি ছেলে ব্যাটারি দিয়ে যায়। এরপর পিনকোড দিয়ে লকার খোলার পর সেখান থেকে তারা ২২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এ ছাড়া আলমারি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও একটি রোলেক্স ঘড়ি নিয়ে যায়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ইসতিয়াক আহমেদ জানান, প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ব্যাটারি নিয়ে আসা শিশুটিকে শনাক্ত করা হয়। ওই শিশুটি প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া খানমের চাচাতো ভাই কাউতলী এলাকার দিদারের দোকানের কর্মচারী। দিদারের কাছে ফোন করে ব্যাটারি আনায় ডাকাতদল। মূলত দিদার ওই বাড়িতে নিয়মিত যাওয়া-আসার সুবাদে স্বর্ণালঙ্কারের কথা জানত। পরিকল্পনামতো সে ভাড়া করা লোক এনে চাচাতো বোনের বাড়িতে ডাকাতি করায়। রিমান্ডে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন