• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে নোবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ পাঁচজনকে দুদকের তলব যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ দাবি যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ‘দাঁতাল বাবু’ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ত্রিশালের ইউএনওকে না পেয়ে ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা রাজশাহীতে ২০০ বোতল অবৈধ সিরাপসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার অদৃশ্য স্পিডব্রেকার ও বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ে ঢাকার প্রান্তিক সড়ক মরণফাঁদ অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ ডিআইজির নগরকান্দায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ পাঁচ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার ১১ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, ৬ বিভাগে পদায়ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরের মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা

লকডাউন কার্যকরে দায়িত্বশীল গজারিয়া পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১

  1. ১৮ এপ্রিল ২০২১,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

ওসমান গনি
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জর গজারিয়া পন্যবাহি যানবাহন ছাড়া যে কোন যানবাহন মহাসড়ক পার হলে হলে জবাবদিহিতা করতে হয় পুলিশকে। প্রয়োজনীয় কারন দশাতে না পারলে ফিরে যেতে হয় পূর্বের স্থানে। তবে, প্রয়োজনীয় আইডি কার্ড ও নিদিষ্ট কারন দশাতে পারলে পারমিশন মিলে গন্তব্যের।

এ ব্যাপারে গজারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত ওসি রইস উদ্দিন বলেন, করোনা মোকাবেলায় হাইওয়ে পুলিশ জীবন বাজি রেখে সব সময় কাজ করে আসছে। সরকারের লক ডাউন বাস্তবায়নে আমাদের একাধিক টিম হাইওয়ের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে। কাজ করতে গিয়ে অনেক পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তারপরও সরকার ঘোষিত লক ডাউন বাস্তবায়ন করতে আমরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি। প্রয়োজন ছাড়া কাউকে মহাসড়ক দিয়ে পার হতে দিচ্ছি না। মুভমেন্ট পাশ অথবা আইডি কার্ড ও প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করে কার প্রমানাদি দিতে পারলে তাকে ছাড় দেয়া হয়। এছাড়া আমরা অসচেতন নাগরিকদের মাঝে মাস্ক বিতরন ও মাস্ক পরিধানে উৎসাহিত করছি। যতদিন সরকার লকডাউন ঘোষনা থাকবে ততদিন গজারিয়ায় থানা পুলিশ কাজ করতে বদ্ধ পরিকর।

গজারিয়া থানা তদন্ত ওসি তানভীর হাসান বলেন,করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে লকডাউনের পঞ্চম দিনে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে ছিল পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়ায় ভবেরচর চেকপোস্টে দায়িত্বপালকারী সার্জেন্ট আলআমিন জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মী পরিবহনের জন্য বাস বা সিএনজি ভাড়া করেছেন। এসব যানবাহনের পাস রয়েছে। তবে কিছু কিছু গাড়ির চালক নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মী পরিবহনের পর সুযোগ পেলে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাধারণ যাত্রী পরিবহন করছেন। এমন কাউকে শনাক্ত করতে পারলেই তাদের জরিমানা করছেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

এই সার্জেন্ট আরো জানান, চেকপোস্টগুলোতে তারা প্রতিটি যানবাহন পরীক্ষা করছেন। যাত্রীদের মুভমেন্ট পাস রয়েছে কীনা যাচাই করছেন। অনেকের মুভমেন্ট পাস ছাড়াই হাসপাতাল বা টিকা দিতে যাচ্ছেন। এমন যাত্রীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে তারা ছেড়ে দিচ্ছেন। যারা অপ্রয়োজনে বের হচ্ছেন তাদের ঘরে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ‘এর মধ্যে যাদের পাস নেই তাদের জরিমানা করা হচ্ছে’ ও গাড়ির কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন