• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ড্যাবের ইফতারে শৃঙ্খলা উপ-কমিটির সদস্য হলেন কামরুজ্জামান প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের মূসক অজ্ঞতা: দায় কার মেঘনায় এখনো খেজুর পৌঁছেনি বললেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইলেন দিলারা শিরিন সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৩৪ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় বিগত দিনে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মিত পাকা ঘাটলাগুলো এখন পরিত্যক্ত কাঠালিয়া নদীতীরে তরুণদের ব্যতিক্রমী খোলা আকাশে ইফতার মেঘনায় সাইবার ইউজার দলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিশ্বে জনপ্রিয় কিন্তু স্থানীয়দের কাছে অভিশাপ এই পাহাড়

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

২৬ জুন ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

দূর থেকে দেখতে ঠিক যেন বরফের পাহাড়! এতোটাই সাদা যে রোদের ঝলকানিতে বেশি ক্ষণ চোখ রাখা দায়। সপ্তাহান্তে স্থানীয়দের ট্রেকিংয়ের আদর্শ রাস্তা। সারা বিশ্বে এই পাহাড়ের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ছে ঠিকই, কিন্তু স্থানীয়দের কাছে তা এখন অভিশাপ। এই পাহাড়ের ধুলো হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ক্রমে বিষাক্ত করে তুলছে পরিবেশ। জার্মানির ছোট গ্রাম হেরিনজেনের এক প্রান্তেই রয়েছে এই পাহাড়।

সাদা এই পাহাড় আসলে তৈরি হয়েছে নুন দিয়ে। স্থানীয়দের কাছে এই নুনের পাহাড় মন্টে কালি বা কালিমাঞ্জারো নামে পরিচিত। এই পাহাড় মানুষ নির্মিত। হেরিনজেনে কী ভাবে তৈরি হলো এই নুনের পাহাড়? এর নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৬ সাল থেকে। একটু একটু করে নুন জমতে জমতে বিশালাকার পাহাড়ের রূপ নিয়েছে এটি।

জার্মানির একটি পটাস উত্তোলক সংস্থা কে প্লাস এস রাসায়নিক সংস্থা। পটাস উত্তোলনের পর উপজাত দ্রব্য হিসাবে পড়ে থাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড বা নুন। এই নুনই সেই ১৯৭৬ সাল থেকে ওই অঞ্চলে জমাতে শুরু করে সংস্থাটি। ৪৫ বছর ধরে জমতে জমতে আজ সেটির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচশো মিটার!

২৪০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই পাহাড়ে অন্তত ২০ কোটি টন নুন জমে রয়েছে। এই পাহাড়ে বছরে জমছে প্রায় ৭০ লক্ষ টন নুন। এই পাহাড়ের উচ্চতা তাই প্রতি বছরই একটু একটু করে বেড়ে চলেছে।

২০০৯ সাল থেকেই মূলত এই নুনের পাহাড় পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা হয়ে ওঠে। প্রতি বছর পাহাড়ের উপর গানের অনুষ্ঠান হয়। এতে পারফর্ম করে সে দেশের একাধিক জনপ্রিয় ব্যান্ড। তবে দীর্ঘদিন ধরে নুন জমার ফলে খারাপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এলাকায়। জলবায়ুও অনেকটা বদলে যেতে শুরু করেছে।

বাতাস নোনা হয়ে গিয়েছে। মাটিতে মিশতে শুরু করেছে সেই নুন। চাষাবাদে ক্ষতি তো হচ্ছেই, নদীর জলেও নুন মিশে মাছ মারা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এত কুপ্রভাব থাকা সত্ত্বেও সংস্থাটির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। কারণ ২০৩০ সাল পর্যন্ত ওই জায়গায় নুন জমা করার লাইসেন্স রয়েছে সংস্থার কাছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন