• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

নিজের গাছ কাটতেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

৭ ফেব্রুয়ারি২০২২, বিন্দুবাংলা টিভি.  কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

‘বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন আইন ২০২১থ- এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইন অনুযায়ী, নিজের বাগানের গাছ কাটতে সরকারের অনুমতি লাগবে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ অনুমোদন দেন।

 

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

সচিব বলেন, যারা সাধারণ বাগান করবে বা স্থায়ী যে গাছ লাগাবে; সেগুলোও তারা তাদের ইচ্ছামতো কাটতে পারবে না। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এ নিয়ম আছে। সৌদি আরবে ‘ইউ ক্যান নট ইমেজিনথ। আমার বাড়িতে একটি গাছ পড়ে গেছে, এটা আমি সিটি করপোরেশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কাটতে পারব না। এ নিয়ম ভারতেও আছে। এটাকে ভালোভাবে ইমপ্লিমেন্ট করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ আইনের মাধ্যমে সব বনাঞ্চলকে প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে। এখানে স্থায়ী গাছের কথা বলা হয়েছে। লাউ গাছ কাটতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এটাকে সহজ করে কর্তৃপক্ষকে অনুমতি দিতে বলা হয়েছে। কারণ, একটা মানুষ বিপদে পড়ল, তার গাছ ভেঙে গেল; এটা যদি সাত দিন পড়ে থাকে, অনুমতি নিতে যদি সময় লাগে তাহলে তো মুশকিল। তাই এটাকে সহজ করতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ফরেস্ট ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অর্ডিন্যান্স ছিল, সেটা চলত ১৯৫৯-এর আওতায়। সেটাকে হালনাগাদ করে নেওয়া হয়েছিল আইন হিসেবে। এখানে অনেকগুলো বিষয় আছে, যেমন এটা একটা করপোরেশন হবে। করপোরেশনের একজন চেয়ারম্যান এবং পরিচালক থাকবে। একটি বোর্ড থাকবে, যারা এটাকে প্রশাসনিকভাবে দেখবেন। এর কাজ হবে করপোরেশনের অধীনে উৎপাদিত কাঠ বা কাঠের আসবাবপত্র আইনের অধীনে আনা।

তিনি বলেন, এটা নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা করতে বলা হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় এই আইনগুলোর কমপালশনগুলো বাস্তবায়নের আগে প্রোমোশন ক্যাম্পেইন করে মানুষের দৃষ্টিতে আনতে কেবিনেট থেকে বলা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন