June 13, 2024, 8:16 am

সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত গোপালগঞ্জে তার ৮৩টি দলিলের সম্পদ জব্দের আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোক ও ফ্রিজ না করা গেলে, তা হস্তান্তর হয়ে যেতে পারে। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না। পরবর্তী সময় আদালতের দেওয়া আদেশে বলা হয়েছে, মানি লন্ডারিং আইন ২০১২-এর ১৪ ধারা এবং দুদক বিধিমালা ২০০৭-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী সব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে জানতে দুদকের আইনজীবীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা সাড়া দেননি।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিপুল সম্পদের কথা তুলে ধরা হয়। এতে দাবি করা হয় বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, পাঁচ তারকা হোটেলের শেয়ার, গাজীপুর, কক্সবাজার, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে শত শত বিঘা জমির মালিকানা রয়েছে।

এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীরের বিপুল অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধান করতে দুদকের কাছে আবেদন করেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। এর পরপরই বেনজীর আহমেদের বিপুল অবৈধ সম্পত্তির অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী সালাউদ্দিন রিগ্যান।

এই দুই ঘটনার পর গত ১৮ এপ্রিল দুদকের সভায় সাবেক এই পুলিশ প্রধানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এরজন্য একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করে দুদক।

কমিটির সদস্যরা হলেন, দুদক উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক নিয়ামুল হাসান গাজী ও জয়নাল আবেদীন। এরই মধ্যে বেনজীর ও তার পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়কর নথি ও কোম্পানীর কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক।

তবে নিজের ও পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক আইজিপি বেনজীর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় দাবি করেন, পরিবার ও তার বিরুদ্ধে মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তিলকে তাল বানিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।


ফেসবুকে আমরা