• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক ৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক মেঘনায় গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ বাকেরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা উখিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জয়পুরহাটে ১১ দলের গণমিছিল ও সমাবেশ ৫ আগস্ট উপলক্ষে কাইচাইল ইউনিয়ন বিএনপির বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা, স্মরণ ও অঙ্গীকারে নোবিপ্রবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে ত্রিশালে আহত যোদ্ধা ও নিহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা মেঘনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

সাবেক সহকারী কর কমিশনারের নামে মামলা করেছে দুদক

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২২০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

 

বিপ্লব সিকদার।।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের (ঢাকা-১) সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। শ্যামল কৃষ্ণ দাস আয়কর বিভাগে সর্বশেষ সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত থেকে বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।

দুদক বলছে, ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। নিজ নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদের ঘোষণা দেন। সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে শ্যামল কৃষ্ণ দাসের নামে কোনো ঋণ/দায়ের তথ্য পাওয়া যায়নি। নিট সম্পদ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় পাওয়া গেছে ৩১ লাখ ১৩ হাজার টাকা। ব্যয়সহ অর্জিত সম্পদ ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। তার নামে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার টাকা। গ্রহণযোগ্য আয়ের চেয়ে সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা; যার কোনো বৈধ আয়ের উৎস সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র বা সাক্ষ্য-প্রমাণ তিনি সরবরাহ করতে পারেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন