• বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় থানায় মামলা না নিতে তদবির করতে যান স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেঘনায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করার পথ সমতল নয় মেঘনায় টপ সয়েল লুট উন্নয়নের নামে কৃষির ভবিষ্যৎ হুমকিতে মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘনার লুটের চর – উপজেলা সদর সড়ক ৩০ ভাগ কাজ বাকি, অর্থ ও সময়ের  নতুন চাহিদা মেঘনায় সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে পড়ায় জনজীবনে চরম অনিশ্চয়তা বাঞ্ছারামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা

মেঘনায় সড়ক বেহাল

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৯৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪
oplus_2

 

মেঘনা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আঞ্চলিক সড়ক ৮০ মিটার ব্রিজ সংযোগ থেকে দৌলত হোসেন সরকারি হাইস্কুল পর্যন্ত ইটের সলিং সড়কটি ভেঙ্গে বেহাল হয়ে পরেছে। উপজেলার গোবিন্দ পুর ইউনিয়নের রামনগর, মহেশখোলা,জয়নগর, চরপাথালিয়া, দড়িকান্দি, সেননগর, দক্ষিনকান্দি, আলীপুর, হিজলতলী সহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০ হাজার জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা উপজেলা সদরে, সেননগর বাজারে নিত্যনৈমিত্তিক কাজে মাঝামাঝি সড়ক হওয়ায় দ্রুত যাতায়াত করতে সড়কটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। অন্যদিকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসাযাওয়া করতে সুবিধা হত। সড়কটি দিয়ে হালকা যানবাহনের পাশাপাশি ভারি যানবাহন ও চলাচল করতো। বর্তমানে সড়কটিতে খানাখন্দভরায় যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরেছে।

oplus_2

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলেন আমি তিন কিমি দূর থেকে বিদ্যালয়ে আসি আগে অটো দিয়ে আসতাম এখন বড় সড়ক থেকে হেটে আসি খুব কষ্ট হয়। মহেশ খোলা এলাকার মোস্তফা বলেন এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পাথালে উপজেলায় ঢাকা যাতায়াত করতে সহজ ছিল ভেঙে পরায় সলিং সড়কটিতে যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরেছে এতে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। দড়িকান্দি এলাকার রবিউল এই প্রতিবেদককে বলেন এই সড়ক দিয়ে তারাতাড়ি উপজেলা, ঢাকা যেতে পারতাম এখন আবার ঘুরে যেতে হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোসা: সাবরীন মাহফুজ বলেন সড়কটিকে টেকসই উন্নয়ন করতে হবে, এখানে বেলে মাটি হওয়ায় সাময়িক অল্প কিছু দু এক লাখ টাকা ব্যায় করলে বৃষ্টি আসলেই ভেঙে যাবে তাই আমরা প্রস্তাবনা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন