• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইলেন দিলারা শিরিন সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৩৪ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় বিগত দিনে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মিত পাকা ঘাটলাগুলো এখন পরিত্যক্ত কাঠালিয়া নদীতীরে তরুণদের ব্যতিক্রমী খোলা আকাশে ইফতার মেঘনায় সাইবার ইউজার দলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সোনারগাঁওয়ে পিস্তল ও গুলিসহ দুষ্কৃতিকারী গ্রেপ্তার কুমিল্লার মেঘনায় মানিকার চর বাজার ইজারা: গত বছরের তুলনায় রাজস্ব কম প্রায় ২৫ লাখ সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি, চলছে মামলার প্রস্তুতি

মাদকসহ চোরাচালানীদের ট্রানজিট মেঘনা উপজেলা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫

বিশেষ  প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলাকে মাদকসহ চোরাচালানীদের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপজেলার প্রতিটি গ্রামেই হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে বাহারি নামের মাদক। বাজার সহ প্রতিটি এলাকায় মাদক বিক্রেতা এবং সেবনকারীদের প্রকাশ্যেই বেচাকেনা করতে দেখা যায়। এখন আর কাউকে ভয় পায়না। যারা বাধা হয়ে দ্বারাবে তাদের সমঝোতার মাধ্যমেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। মেঘনা – কাঠালিয়া নদী বেষ্টিত হওয়ায় সড়কপথের পাশাপাশি নৌপথও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ – ভারতীয় চোরাচালান চক্র আখাউড়া, ব্রাম্মণপাড়াসহ কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচার হওয়া মাদক, সহ বিভিন্ন চোরাচালানীদের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হয় এই উপজেলার সড়ক পথ এবং নৌ পথ। মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্র পুর বাজার দিয়ে নদী পথে সরাসরি কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া মেঘনায় চলে আসে। স্থানীয় মাদক ও চোরাচালান চক্রের সদস্যরা প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা ও ক্ষেত্র বিশেষ ম্যানেজ করেই চক্রটি উপজেলার দূর্গম নদী তীর ঘেঁষে একাধিক এলাকায় স্থায়ী ট্রানজিট করেছে। চক্রটি অতি ক্ষমতা সম্পন্ন। চক্রের অনেক সদস্য সমাজের কর্ণধার সেজে আছেন অর্থের জোরে। সর্বক্ষেত্রে তাদের সুনাম, এবং দানবীর হয়ে দানবীয় কাজ করছেন। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের সাথে সখ্যতা তৈরি হয় স্বয়ংক্রিয় ভাবে। উপজেলার প্রতিটি বাজার, নদীর তীর ঘেঁষে গ্রাম গুলোকেই বেছে নিয়েছে চক্রটি। এতে করে রাতের আঁধারে কখনো কখনো দিনের বেলায় দ্রুত রাজধানীসহ দেশজুড়ে পাচার করতে সহজ হয়। একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসনকে ফাঁকি দেওয়া যায়। উপজেলার স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে লেখা পড়া থেকে মনোযোগ হারিয়ে মাদকের টাকা জোগাড় করতে চুরি, ছিনতাই, সহ অরাজকতায় লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে। শঙ্কিত অভিভাবক মহল। চোরাচালান চক্রের সদস্যরা কিশোর গ্যাংকে অর্থ যোগান দিয়ে তাদের ব্যবহার করছে মাদক ও চোরাচালানে। কিশোর গ্যাং এর সদস্যদের দেখা যায় বর্তমান রাজনীতিক এর কর্মী হিসেবে পিছনে ঘুরতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন আমার সন্তানটা এখন আর আমার কথা শুনেনা, যারা প্রশ্রয় দিয়ে বিপথগামী করছে তারা অনেক ক্ষমতাধর, ভয়ে মুখ খুলতে পারছিনা,যারা মাদকের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিচ্ছে তাডাই এই উপজেলায় মাদকের সাথে জড়িত। একাধিক সামাজিক সংগঠনসহ সচেতন নাগরিকের বক্তব্য চাইলেও ভয়ে কেউ বক্তব্য দিতে স্বীকার করছেনা। এ বিষয়ে মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল  বলেন অভিযান অব্যাহত রয়েছে, আমরা প্রতিটি এলাকায় মাদক সেবন ও নির্মূলের জন্য গণসচেতনতা মুলক কার্যক্রম গ্রহন করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন