• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটে বিশেষ সুবিধা যুক্ত হবে: বিমানমন্ত্রী বিএফটিআইকে আন্তর্জাতিক মানের থিংক ট্যাংক হিসেবে গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপি সরকার নিয়ে সমালোচনার জবাবে যা বললেন আযম খান সাদা পোশাকে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে: সমাজবাদী নেতার দাবি হামের ভয়াবহতায় ঝরল আরও ৪ শিশুর জীবন ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী মেসির চোখের জল দেখে আবেগী শশী, বললেন ‘দয়া করে কেঁদো না’ সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রাশেদ সাইবার বুলিং প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে নেতাদের জন্য যা যা ছিল

মেঘনার প্রশাসনের নিকট জনগণের প্রত্যাশা—সুশাসন

বিপ্লব সিকদার / ৮৬৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

মেঘনা উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। সুশাসন শুধু একটি প্রশাসনিক শব্দ নয়—এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মেঘনার সাধারণ মানুষের কাছে সুশাসনের অর্থ হলো—আইনের শাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

প্রথমত, আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতা। মেঘনায় অপরাধ দমন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সংঘটিত অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দৃঢ় ভূমিকা জনগণের প্রধান দাবি। আইনের প্রয়োগে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয় নয়, অপরাধই যেন মুখ্য হয়—এমন বার্তা প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। ভূমি অফিস, থানা, উপজেলা কার্যালয়, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবাপ্রাপ্তিতে হয়রানি ও দালালনির্ভরতা কমাতে ডিজিটাল সেবা, নিয়মিত অডিট ও অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা জরুরি। জনগণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়বে।

তৃতীয়ত, সেবা-কেন্দ্রিক প্রশাসন। জন্মনিবন্ধন, এনআইডি, ভূমি নামজারি, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা—এসব ক্ষেত্রে সময়মতো ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করাই সুশাসনের বাস্তব রূপ। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী ও প্রতিবন্ধীদের প্রতি বিশেষ নজর প্রয়োজন।

চতুর্থত, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা। বাজার, গণপরিবহন স্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নিয়মিত টহল এবং কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে। ভয়মুক্ত পরিবেশই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

পঞ্চমত, জনসম্পৃক্ততা ও তথ্যপ্রবাহ। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। উন্মুক্ত শুনানি ও তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন সুশাসনকে শক্তিশালী করবে।

লেখক – সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন