• বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে জনসমুদ্র—কনকনে শীত ভেদ করে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষা

বিপ্লব সিকদার / ৩৬৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

কনকনে শীত, গভীর রাত, তবু একফোঁটা ক্লান্তি নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংবর্ধনাকে ঘিরে রাজধানীর ৩০০ ফুট সড়ক এখন জনসমুদ্রে পরিণত। লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে এই আয়োজন রূপ নিয়েছে আবেগ, ভালোবাসা ও রাজনৈতিক প্রত্যাশার এক মহাকাব্যে।
৩০০ ফুট দীর্ঘ সড়কজুড়ে নির্মিত বিশাল মঞ্চ ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। সারা রাত ধরে ঢল নামছে মানুষের—কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কারও কণ্ঠে শ্লোগান, আর সবার চোখে একটাই স্বপ্ন—প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে স্বদেশের মাটিতে স্বাগত জানানো। শীতের তীব্রতা যেন এই উচ্ছ্বাসের কাছে হার মেনেছে।
অনুষ্ঠান ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রহণ করেছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একাধিক স্তরে তল্লাশি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি এবং গোয়েন্দা নজরদারিতে পুরো এলাকা রাখা হয়েছে সুরক্ষিত। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে শৃঙ্খলা বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে কর্মসূচির প্রস্তুতি।বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ঐতিহাসিক সংবর্ধনায় ৫০ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা আগেভাগেই এসে অবস্থান নিয়েছেন। কেউ রাত কাটিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে, কেউ আবার পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে।নেতার আগমনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা ও উল্লাস। ‘লিডার আসছে’—এই একটিমাত্র শ্লোগানে প্রকম্পিত পুরো এলাকা। অনেকের চোখে আনন্দের জল, অনেকের কণ্ঠে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর প্রত্যাশার উচ্চারণ।নেতাকর্মীদের বিশ্বাস, তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়—এটি একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে এই দিন, আর সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন উপস্থিত লাখো জনতা।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন