• শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ফরম–‘ক’ অনুযায়ী বৃক্ষ কর্তনের অনুমতির আবেদন বাধ্যতামূলক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের টানা উত্তরাঞ্চল সফর শুরু ১১ জানুয়ারি কৃষিজমির উপরি-স্তর কাটলে জেল-জরিমানা ঘুষের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আটক মেঘনার সন্তান, কেন্দ্রে তাঁর রাজনীতি পঞ্চগড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান কর প্রশাসনে ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে বিসিএস একাডেমিতে ক্লাস নষ্ট উপজেলা মেঘনা : নষ্টালজিক উন্নয়ন আর হারিয়ে যাওয়া মানুষের গল্প মেঘনায় সড়কহীন দড়িকান্দি দক্ষিণ পাড়া: পাঁচ দশকের অবহেলা বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান

বিপ্লব সিকদার / ১০৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

পঞ্চগড় পৌরসভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (CCTF) প্রকল্পের আওতায় সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনে বাজারমূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দামে ক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে।
আজ মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও-এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম পঞ্চগড় পৌরসভায় এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম পৌর প্রশাসক, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে।
এনফোর্সমেন্ট টিমের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রকল্পটির আওতায় মোট ৯৯,৮৬,৩২৪ (নিরানব্বই লক্ষ ছিয়াশি হাজার তিনশ চব্বিশ) টাকা ব্যয়ে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ৭৫টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিটি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১,৩৩,১৫০ (এক লক্ষ তেত্রিশ হাজার একশ পঞ্চাশ) টাকা, যা বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়।
অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম পৌরসভার চারটি ভিন্ন স্থানে স্থাপিত সোলার স্ট্রিট লাইট, সোলার প্যানেল ও ব্যাটারির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে কয়েকটি সোলার স্ট্রিট লাইট অকেজো অবস্থায় পাওয়া যায়, যা প্রকল্প বাস্তবায়নের মান ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
এ সময় প্রকল্পের টেন্ডার ডকুমেন্টস, ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্র, বিল-ভাউচারসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত নথিপত্র বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণপূর্বক এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানানো হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানায়, রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন