পরিবেশ সংরক্ষণ ও নির্বিচার বৃক্ষ নিধন রোধে সরকার নির্ধারিত ধারা ৯(৫) অনুযায়ী অনুমতি সাপেক্ষে বৃক্ষ কর্তনের জন্য ফরম–‘ক’ পূরণ করে আবেদন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া গাছ কাটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফরম–‘ক’-এ আবেদনকারীর পরিচয়সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন নম্বর, পেশা, জাতীয়তা ও যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর। পাশাপাশি আবেদনকারীর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
যে স্থানে বৃক্ষ কর্তন করা হবে, সেই জমির বিস্তারিত তথ্যও ফরমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এতে জেলার নাম, উপজেলা বা থানার নাম, ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনের নাম, গ্রামের নাম, রাস্তার নাম, মৌজার নাম, খতিয়ান নম্বর ও দাগ নম্বর উল্লেখ বাধ্যতামূলক।
এ ছাড়া বৃক্ষ কর্তনের যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে এবং কাটতে চাওয়া গাছের বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। গাছের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক বয়স, উচ্চতা এবং বুক সমান উচ্চতায় (১.৩ মিটার) বেড়ের পরিমাপ নির্ধারিত ছকে উল্লেখ করতে হবে।
ফরমের শেষে আবেদনকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সঠিকভাবে তথ্য প্রদান ও প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষেই কেবল বৃক্ষ কর্তনের অনুমোদন দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ ও সবুজায়ন রক্ষা পাবে, তেমনি অন্যদিকে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজেও আইনসম্মতভাবে গাছ কর্তনের সুযোগ নিশ্চিত হবে।