• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

দুদকের তিন অভিযানে পৌরসভা প্রকৌশল ও প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বড় দুর্নীতি

বিপ্লব সিকদার / ১৪৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট গতকাল ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একযোগে তিনটি পৃথক অভিযানে নেমে পৌরসভা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও সরকারি প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চিত্র উদ্ঘাটন করেছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভায় পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার ভবিষ্যৎ তহবিল, আনুতোষিক তহবিল, উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারি জামানত এবং সরকারি কোষাগারের ভ্যাট–আয়করসহ একাধিক খাত থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বিভাগীয় তদন্তে হিসাবরক্ষক মিজানুর রহমান আছাদের বিরুদ্ধে ৭৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ এবং অতিরিক্ত বেতন উত্তোলনের মাধ্যমে আরও ৬ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিভিন্ন পৌরসভায় সর্বমোট এক কোটি পঁচিশ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের তথ্য পায় দুদক, যা প্রশাসনিক দুর্নীতির গভীরতা স্পষ্ট করে।
অন্যদিকে পটুয়াখালীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ওভারহেড ট্যাংকের কার্যাদেশ প্রদানে ঘুস লেনদেন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। এলাকাবাসীর বক্তব্য ও টেন্ডার সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক টিম প্রাথমিকভাবে অনিয়মের ইঙ্গিত পায় এবং বিষয়টি কমিশনে প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেয়।
এছাড়া মাগুরা জেলায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার-ডিএএম প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ এবং নির্ধারিত প্রশিক্ষকের অনুপস্থিতির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের কথা থাকলেও মাঠপর্যায়ে অনিয়ম চলেছে বলে প্রশিক্ষণার্থীদের বক্তব্যে উঠে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন