• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিচয়ে ডিসিকে হোয়াটসঅ্যাপে বিভ্রান্তিকর তথ্য: প্রতারক গ্রেফতার

বিপ্লব সিকদার / ১৮৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিচয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ও অর্থ দাবি করার অভিযোগে এক পেশাদার প্রতারককে গ্রেফতার করেছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি), সিআইডি।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. শামীম ওসমান (২৯)। সে  রাজশাহী জেলার বাঘা থানার কিশোরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সাভার থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সিপিসি’র সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস শাখার একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেফতার করে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, শামীম ওসমান নিজেকে  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) পরিচয় দিয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে দাবি করেন যে, রাজশাহীতে কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন সম্ভব নয়।
এছাড়াও তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে মাসিক ‘কালেকশন’ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চান এবং তাৎক্ষণিকভাবে তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে এক লক্ষ টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডিকে অবহিত করে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি, সিআইডির একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত করে এবং গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শামীম ওসমান একজন পেশাদার প্রতারক। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রাজশাহীর বাঘা থানায় পূর্বে একাধিক প্রতারণা মামলার অভিযোগ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা বিদ্যমান রয়েছে। গ্রেফতারের পর আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে একই ধরনের অপরাধ করেছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন