• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইলেন দিলারা শিরিন সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৩৪ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় বিগত দিনে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মিত পাকা ঘাটলাগুলো এখন পরিত্যক্ত কাঠালিয়া নদীতীরে তরুণদের ব্যতিক্রমী খোলা আকাশে ইফতার মেঘনায় সাইবার ইউজার দলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সোনারগাঁওয়ে পিস্তল ও গুলিসহ দুষ্কৃতিকারী গ্রেপ্তার কুমিল্লার মেঘনায় মানিকার চর বাজার ইজারা: গত বছরের তুলনায় রাজস্ব কম প্রায় ২৫ লাখ সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি, চলছে মামলার প্রস্তুতি

দুদকের তিন অভিযানে পৌরসভা প্রকৌশল ও প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বড় দুর্নীতি

বিপ্লব সিকদার / ২১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিট গতকাল ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একযোগে তিনটি পৃথক অভিযানে নেমে পৌরসভা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও সরকারি প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চিত্র উদ্ঘাটন করেছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভায় পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার ভবিষ্যৎ তহবিল, আনুতোষিক তহবিল, উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারি জামানত এবং সরকারি কোষাগারের ভ্যাট–আয়করসহ একাধিক খাত থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। বিভাগীয় তদন্তে হিসাবরক্ষক মিজানুর রহমান আছাদের বিরুদ্ধে ৭৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ এবং অতিরিক্ত বেতন উত্তোলনের মাধ্যমে আরও ৬ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিভিন্ন পৌরসভায় সর্বমোট এক কোটি পঁচিশ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের তথ্য পায় দুদক, যা প্রশাসনিক দুর্নীতির গভীরতা স্পষ্ট করে।
অন্যদিকে পটুয়াখালীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ওভারহেড ট্যাংকের কার্যাদেশ প্রদানে ঘুস লেনদেন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। এলাকাবাসীর বক্তব্য ও টেন্ডার সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক টিম প্রাথমিকভাবে অনিয়মের ইঙ্গিত পায় এবং বিষয়টি কমিশনে প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেয়।
এছাড়া মাগুরা জেলায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার-ডিএএম প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ এবং নির্ধারিত প্রশিক্ষকের অনুপস্থিতির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের কথা থাকলেও মাঠপর্যায়ে অনিয়ম চলেছে বলে প্রশিক্ষণার্থীদের বক্তব্যে উঠে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন