• সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় ওরশে বিরোধের জেরে সিএনজি থামিয়ে নৃশংস হামলা, সাব্বির নিহত, বাবুল গ্রেপ্তার জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘনার লুটের চর – উপজেলা সদর সড়ক ৩০ ভাগ কাজ বাকি, অর্থ ও সময়ের  নতুন চাহিদা মেঘনায় সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে পড়ায় জনজীবনে চরম অনিশ্চয়তা বাঞ্ছারামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং পুনর্গঠনে নতুন নিয়োগ ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রুহুল কুদ্দুস কাজল মেঘনা উপজেলা প্রশাসকের দৌড়ে এগিয়ে রমিজ লন্ডনী ঈদে শুভেচ্ছার মধ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা

মেঘনার লুটের চর – উপজেলা সদর সড়ক ৩০ ভাগ কাজ বাকি, অর্থ ও সময়ের  নতুন চাহিদা

বিপ্লব সিকদার / ১৫৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর-উপজেলা সদর সাড়ে সাত কিমি  আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতির কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও  প্রকল্পটির কাজ এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ বাকি রয়েছে বলে দাবি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের । এ অবস্থায় সময় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন করে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে।উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল চুক্তিমূল্য ১৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি হলেও বাস্তবায়ন পর্যায়ে নকশা পরিবর্তন, বালুমাটির জটিলতা এবং অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে অতিরিক্ত ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার মতো বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান Chowdhury & Master (JV)-এর প্রতিনিধি আব্দুল হান্নান বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু কারিগরি পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে সেতু অংশে DBC পদ্ধতি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে গাইড ওয়াল সংযোজনের কারণে ব্যয় বেড়েছে। তাই অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। কাজ প্রায় শেষের দিকে।উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা গুণগত মান বজায় রেখেই কাজ এগিয়ে নিচ্ছি। প্রকল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সময় বৃদ্ধির আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলমান থাকায় সড়কটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে  চলাচল করতে হচ্ছে দ্রুত ও টেকসই কাজ চাই । বিশেষ করে লুটেরচর থেকে উপজেলা সদরে যাতায়াতকারী মানুষ ও পরিবহন শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।মেঘনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মতিন বলেন, “জনগণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত কাজ শেষ না হলে এই প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাবে না। দ্রুত কাজ শেষ করতে চাই। স্থানীয় সিএনজি চালকরা জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানা-খন্দ ও অসমতল অবস্থার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। এক চালক বলেন, “এই রাস্তায় চলা মানে প্রতিদিন ঝুঁকি নেওয়া। দ্রুত কাজ শেষ না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”সচেতন মহলের মতে, প্রকল্পের শুরুতেই বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে  সময় ও ব্যয় বাড়ানোর প্রয়োজন হতো না। তারা বলছেন, শুধু অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ নয়, কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও জরুরি।এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, নইলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন