• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
অশুভ দৃষ্টিভঙ্গি সত্যকে কখনো পরাজিত করতে পারে না রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে ঘুমালো নিঃশেষ হওয়া পরিবারটি জাতীয় যাকাত সংগ্রহে শীর্ষে ডিসি ফরিদা খানম ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরখাস্ত মেঘনায় যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল :”একটা একটা লীগ ধর -ধইরা ধইরা জেলে ভর ” শ্লোগানে মুখরিত মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল মেঘনায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ মেঘনায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ

রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে ঘুমালো নিঃশেষ হওয়া পরিবারটি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মা ও তিন মেয়ের শেষ ঠিকানা হলো কুমিল্লার হোমনা। শুক্রবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে হোমনা পৌরসভার লটিয়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে তাদের দাফন করা হয়। হৃদয়বিদারক এ দৃশ্যে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।
নিহতরা হলেন— শাহীনূর আক্তার (৩৮), তার বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার (২১), চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকরা আক্তার (১৮) এবং ছোট মেয়ে সিফা আক্তার (১০)।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন মুফতি সামসুল হক আরিফী। জানাজায়  বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন। তবে জানাজাস্থলে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য মো. সিফাত এখন নিঃস্ব ও অসহায়। ঘটনার সময় বাসার বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যায় এসএসসি পরীক্ষার্থী এই কিশোর। স্বজনহারা সিফাত একাই ঢাকা ও লক্ষ্মীপুর থেকে মা ও তিন বোনের মরদেহ হোমনায় নিয়ে আসে। পরে গ্রামবাসী এবং আত্মীয়-স্বজন জানাজা ও দাফনের সব আয়োজন সম্পন্ন করেন। প্রিয়জনদের হারানোর শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে সে। আপন বলতে এখন আর কেউ নেই তার।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোড এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের ভাড়া বাসায় ঢুকে সাবেক ভাড়াটিয়া অন্তর মজুমদার ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাহীনূর আক্তার ও তার তিন মেয়ের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই শাহীনূর, সায়মা ও সিফার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত ইকরা আক্তারকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় জনতা হামলাকারী অন্তর মজুমদারকে আটক করে গণপিটুনি দিলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।প্রায় তিন দশক লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বসবাসের পর শেষ পর্যন্ত জন্মভূমি হোমনার মাটিতেই পাশাপাশি চারটি কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন একই পরিবারের চার সদস্য। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন