• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
পদুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে ত্রাণ সহায়তা প্রদান চীনে দুই সপ্তাহের বিনিময় কর্মসূচিতে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের আগমন উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে যশোরে এক যুবক আটক চুনতি ইউনিয়ন বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা মাদকের বাপ-দাদাদের রুখতে না পারলে সমাজে মাদকের আগ্রাসন আরও ভয়াবহ রূপ নেবে মেঘনায় মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেওয়ায় মাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি চলচ্চিত্র অনুদান বাছাই কমিটিতে বাচসাসের রাহাত সাইফুল অন্তর্ভুক্ত মেঘনায় স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত দুই বাঁশের সাঁকো মেঘনায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে প্রেরণ ১১ জুলাই জিয়া শিশু-কিশোর মেলার নবগঠিত কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু ইরা হত্যা ও ধর্ষণচেষ্টা মামলায় খুনি বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আট বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনি হত্যা মামলায় আসামি বাবু শেখের (৪৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ মার্চ চকলেট কিনে দেওয়ার ও ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ইরা মনিকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান বাবু শেখ। পরে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটি চিৎকার করে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে পালিয়ে যান তিনি।

পরে সড়ক সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ মার্চ তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইরা মনি সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরা মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা মনিরুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। শিশু ইরা মনিকে পাহাড়ি পথ থেকে উদ্ধারের পর সারা দেশে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘটনার দিনই কুমিরা এলাকা থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্যম পুলুপাড়া এলাকায়। তিনি ইরাদের পাশের বাসায় ভাড়া থাকতেন।

তদন্তে পুলিশ জানায়, ইরার বাবা মনিরুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার পর হত্যা করা হয়। তদন্ত শেষে ১১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ১৮ জুন অভিযোগ গঠন এবং ২১ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ছয় কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২ জুলাই যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। বৃহস্পতিবার বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন