কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নের ভারতপুর নোয়াগাঁও গ্রামে দুটি খালের ওপর কোনো আরসিসি কালভার্ট না থাকায় স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রম ও চাঁদা তুলে দুটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ কয়েক হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এসব সাঁকো ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের জানান, ভাটের চর–উপজেলা আঞ্চলিক সড়ক থেকে ভারতপুর নোয়াগাঁও পর্যন্ত কাঁচা সড়কের দুটি স্থানে দীর্ঘদিনেও কালভার্ট নির্মাণ হয়নি। তাই চলাচলের সুবিধায় গ্রামবাসী নিজেরাই বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন।
বাসিন্দা ছদ্দু মিয়া বলেন, সরকারি উদ্যোগ না থাকায় গ্রামের মানুষই শ্রম ও অর্থ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করেছেন। তবে বর্ষায় পানি বাড়লে সাঁকো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বারবার মেরামত করতে হয়। এতে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ রোগীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হয়।
কৃষক আবদুল করিম জানান, বর্ষাকালে কৃষিপণ্য বাজারে নিতে বড় সমস্যায় পড়তে হয়। অন্যদিকে বৃষ্টির দিনে সাঁকো পিচ্ছিল হওয়ায় প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।
স্থানীয়দের দাবি, এই সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। তাই দ্রুত দুটি আরসিসি কালভার্ট নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
প্রয়োজনে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত করে ১৫০–২০০ শব্দের সংবাদও তৈরি করে দিতে পারি।