• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ইদ্রিস আলী কারাগারে হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় রূপান্তর হচ্ছে বাঁশখালীতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি, লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁওয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু ইরা হত্যা ও ধর্ষণচেষ্টা মামলায় খুনি বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড টেকনাফে দুর্ঘটনা ও গাছচাপায় আহত একাধিক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফের হস্তক্ষেপে নারকেলতলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের বিরোধ ও বিরাজমান সমস্যার সমাধান সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের

যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ইদ্রিস আলী কারাগারে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

মনির হোসেন:

যশোরের শার্শা উপজেলায় জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আসামি ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। তিনি শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) হিসেবে কর্মরত।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় তারা সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০১৫ সালে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, আসামি টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রমে বাধা দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদী পুনরায় মামলাটি সচল করেন। তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশের যশোরের এসআই বখতিয়ার রহমান তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল এবং সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন